
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে আছে। সুষ্ঠু ভোটে তারা বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ধ্বংস করে জোর করে ক্ষমতায় আছে তারা। মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু'র সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতারা কিছু না বললেও ওবায়দুল কাদের সাহেবরা খুব উত্তেজনার ভিতরে আছেন। তাদের উত্তেজনা কোনোভাবেই প্রশমিত হচ্ছে না। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। ভয়ে তারা প্রলাপ বকছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহ্বানে লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন- 'বিএনপির নেতারা মনে করেন লু এসে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে যাবেন সেই আশায় আছে'। কিন্তু বিএনপির নেতারা কোথাও এ বিষয়ে কিছু বলেননি। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা ভয় থেকে প্রলাপ বকছেন। তিনি কি জ্বরে ভুগছেন কিনা। মনে হয় তিনি বড় ধরনের অস্থিরতায় আছেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেন, অথচ ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ২৫/২৬ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে তারা গ্রেপ্তার করেছিল। সে নির্বাচনে অন্যকোন দল অংশ নেয়নি। জনগণও তাদের ভোট দিতে যায়নি। গোটা বাংলাদেশকে কারাগারে পরিণত করে এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা কথা বলছেন।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, সবদিক থেকে বাংলাদেশ ধ্বংসের কিনারায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন আমার কর্মজীবনে অর্থনীতির এমন খারাপ অবস্থা দেখিনি। জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ইলাহী বলেছেন- বর্তমান অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য পশ্চিমারা ষড়যন্ত্র করছেন।
বিজভী বলেন, তাদের এরকম বক্তব্যে বুঝা যায় দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সুতরাং জনগণকে মিথ্যা বলে বিভ্রান্ত করা যাবে না। তাদের প্রত্যেকটি কাজ হচ্ছে অবৈধ। এতে জনগণের রায় নেই।
এসময় দ্বিতীয় দফা উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহবান জানান তিনি।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করে আছে। সুষ্ঠু ভোটে তারা বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ধ্বংস করে জোর করে ক্ষমতায় আছে তারা। মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু'র সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতারা কিছু না বললেও ওবায়দুল কাদের সাহেবরা খুব উত্তেজনার ভিতরে আছেন। তাদের উত্তেজনা কোনোভাবেই প্রশমিত হচ্ছে না। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। ভয়ে তারা প্রলাপ বকছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহ্বানে লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন- 'বিএনপির নেতারা মনে করেন লু এসে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে যাবেন সেই আশায় আছে'। কিন্তু বিএনপির নেতারা কোথাও এ বিষয়ে কিছু বলেননি। ওবায়দুল কাদের সাহেবরা ভয় থেকে প্রলাপ বকছেন। তিনি কি জ্বরে ভুগছেন কিনা। মনে হয় তিনি বড় ধরনের অস্থিরতায় আছেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেন, অথচ ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ২৫/২৬ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে তারা গ্রেপ্তার করেছিল। সে নির্বাচনে অন্যকোন দল অংশ নেয়নি। জনগণও তাদের ভোট দিতে যায়নি। গোটা বাংলাদেশকে কারাগারে পরিণত করে এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা কথা বলছেন।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, সবদিক থেকে বাংলাদেশ ধ্বংসের কিনারায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশে ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন আমার কর্মজীবনে অর্থনীতির এমন খারাপ অবস্থা দেখিনি। জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ইলাহী বলেছেন- বর্তমান অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য পশ্চিমারা ষড়যন্ত্র করছেন।
বিজভী বলেন, তাদের এরকম বক্তব্যে বুঝা যায় দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সুতরাং জনগণকে মিথ্যা বলে বিভ্রান্ত করা যাবে না। তাদের প্রত্যেকটি কাজ হচ্ছে অবৈধ। এতে জনগণের রায় নেই।
এসময় দ্বিতীয় দফা উপজেলা নির্বাচন বর্জনের আহবান জানান তিনি।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে