
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় তাদের জোটসঙ্গী জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে অংশ নেওয়া এই প্রার্থী দাবি করেছেন, অতীতের অনুরূপ ঘটনার মতো এবার জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি বা বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “জামায়াত-শিবির এখনো পর্যন্ত এনসিপির ওপর ককটেল হামলা নিয়ে বিবৃতি দেয়নি, অতীতের ন্যায় সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ মিছিলও বের করেনি।”
তিনি আরও দাবি করেন, হামলার ঘটনার পর জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ‘ফ্রেমিং’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, “জামায়াত শিবিরের আরও নোংরা ফ্রেমিং দেখেন, তারা বলছে, প্রোগ্রাম হওয়ার কথা ছিলো ৬.০০ টায়, কিন্তু তারা আনুমানিক ১০.০০ টায় কেন আসলো? এছাড়া তারা যেহেতু দেখলো বিদ্যুৎ নাই, এই অবস্থায় অনেকটা অন্ধকারের মধ্যে কেন প্রোগ্রাম শুরু করলো? প্রয়োজনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ অফিসে কল করিয়ে তারপরে প্রোগ্রাম শুরু করতে পারতো ইত্যাদি। এছাড়া জাশি আরও ফ্রেমিং করছে, প্রোগ্রামের পরপরই দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়েছে। যাদের মধ্যে অতীতে সংঘর্ষ ও একে-অপরকে বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল পর্যন্ত খাটিয়েছে! তাদেরকে সন্দেহের বাইরে রাখা যায় না!' এগুলো সব জাশির ফ্রেমিং!”
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, “এনসিপির বসন্তকে জাশি (জামায়াত-শিবির) নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য গুটিবসন্ত মনে করছে!”
তবে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনীতি/আরআইআর

ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় তাদের জোটসঙ্গী জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে অংশ নেওয়া এই প্রার্থী দাবি করেছেন, অতীতের অনুরূপ ঘটনার মতো এবার জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি বা বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “জামায়াত-শিবির এখনো পর্যন্ত এনসিপির ওপর ককটেল হামলা নিয়ে বিবৃতি দেয়নি, অতীতের ন্যায় সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ মিছিলও বের করেনি।”
তিনি আরও দাবি করেন, হামলার ঘটনার পর জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ‘ফ্রেমিং’ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, “জামায়াত শিবিরের আরও নোংরা ফ্রেমিং দেখেন, তারা বলছে, প্রোগ্রাম হওয়ার কথা ছিলো ৬.০০ টায়, কিন্তু তারা আনুমানিক ১০.০০ টায় কেন আসলো? এছাড়া তারা যেহেতু দেখলো বিদ্যুৎ নাই, এই অবস্থায় অনেকটা অন্ধকারের মধ্যে কেন প্রোগ্রাম শুরু করলো? প্রয়োজনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ অফিসে কল করিয়ে তারপরে প্রোগ্রাম শুরু করতে পারতো ইত্যাদি। এছাড়া জাশি আরও ফ্রেমিং করছে, প্রোগ্রামের পরপরই দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়েছে। যাদের মধ্যে অতীতে সংঘর্ষ ও একে-অপরকে বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল পর্যন্ত খাটিয়েছে! তাদেরকে সন্দেহের বাইরে রাখা যায় না!' এগুলো সব জাশির ফ্রেমিং!”
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, “এনসিপির বসন্তকে জাশি (জামায়াত-শিবির) নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্বের জন্য গুটিবসন্ত মনে করছে!”
তবে রাশেদ খাঁনের এসব বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনীতি/আরআইআর

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে