
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ইশতেহারে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন ও ধর্ম-সমাজ-ক্রীড়া-সংস্কৃতি নিয়ে দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে ‘দ্য প্ল্যান’ শীর্ষক এ ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছে। প্রথম ভাগে রয়েছে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার; যার অধীনে গণতন্ত্র ও জাতিগঠন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থান, সংবিধান সংস্কার, সুশাসন এবং স্থানীয় সরকার— এই পাঁচটি ভাগে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।
দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন। এ ভাগের অধীনে সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য, কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন, শিক্ষা-মানবসম্পদ ও স্বাস্থ্যসেবা, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ এবং পরিবেশ, পানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে দেওয়া হয়েছে এক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি।
ইশতেহারের তৃতীয় ভাগে রয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার। এ ভাগে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত সংস্কার, শিল্প খাত ও সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন, সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও পরিবহন খাত উন্নয়ন, আইসিটি এবং রাজস্ব আয় ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে রয়েছে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা। এ অংশে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, হাওরাঞ্চলে উন্নয়ন, হাওর-বাওড় বিল, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ন-আবাসন ও নিরাপদ-টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ এবং পর্যটন খাত নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারের পঞ্চম ও শেষ ভাগে রয়েছে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি। এ অংশে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের নৃগোষ্ঠী; ক্রীড়া; গণমাধ্যম, শিল্প ও সংস্কৃতি; এবং নৈতিকতার শক্তি পুনরুদ্ধার নিয়ে রয়েছে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি।
এ দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনি ইশতেহারটি দেখুন এখানে—

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ইশতেহারে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন, ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন ও ধর্ম-সমাজ-ক্রীড়া-সংস্কৃতি নিয়ে দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে ‘দ্য প্ল্যান’ শীর্ষক এ ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছে। প্রথম ভাগে রয়েছে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার; যার অধীনে গণতন্ত্র ও জাতিগঠন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থান, সংবিধান সংস্কার, সুশাসন এবং স্থানীয় সরকার— এই পাঁচটি ভাগে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।
দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন। এ ভাগের অধীনে সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য, কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন, শিক্ষা-মানবসম্পদ ও স্বাস্থ্যসেবা, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ এবং পরিবেশ, পানি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে দেওয়া হয়েছে এক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি।
ইশতেহারের তৃতীয় ভাগে রয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার। এ ভাগে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত সংস্কার, শিল্প খাত ও সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়ন, সেবা খাত উন্নয়ন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও পরিবহন খাত উন্নয়ন, আইসিটি এবং রাজস্ব আয় ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।
চতুর্থ ভাগে রয়েছে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা। এ অংশে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, হাওরাঞ্চলে উন্নয়ন, হাওর-বাওড় বিল, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ন-আবাসন ও নিরাপদ-টেকসই ঢাকা বিনির্মাণ এবং পর্যটন খাত নিয়ে বিএনপির পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতিগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারের পঞ্চম ও শেষ ভাগে রয়েছে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি। এ অংশে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পাহাড় ও সমতলের নৃগোষ্ঠী; ক্রীড়া; গণমাধ্যম, শিল্প ও সংস্কৃতি; এবং নৈতিকতার শক্তি পুনরুদ্ধার নিয়ে রয়েছে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি।
এ দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনি ইশতেহারটি দেখুন এখানে—

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে