
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমিও এটি ভুলব না।’ একই সঙ্গে খুব শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের প্যাডে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, ‘বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আপনার চিঠি আমি এইমাত্র পেয়েছি। আপনার কেনার সিদ্ধান্তের জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এটি ভুলব না। বিষয়টির প্রতি আপনার মনোযোগের জন্য অনেক ধন্যবাদ। নিকট ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি।’

চিঠিতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাবেন। তারা অনেক কিছু পার করে এসেছে। তবে আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে তারা এবং আপনার দেশ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে যাচ্ছে।’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস চলতি বছরের এপ্রিলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১৪টি উড়োজাহাজের বাজারমূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। বাকি উড়োজাহাজগুলো ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে বিমানের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনতে বাংলাদেশ রাজি হয়েছে বলে গত রোববার রাতে জানান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এবং ভারতে দেশটির রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর।
নিজের এক্স পোস্টে তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে বোয়িংয়ের কেনাকাটা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি ‘অভূতপূর্ব সমঝোতা’ হয়েছে। তবে নতুন করে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সে সংখ্যা তিনি উল্লেখ করেননি।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজনে অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনার সুযোগও রাখা হয়েছিল। আগস্টের শেষ সপ্তাহে বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে।
সার্জিও গোর গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। সফরের শেষ দিনে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ঢাকা ছেড়ে দিল্লি যাওয়ার আগে নিজের এক্স পোস্টে তিনি দুই দেশের সহযোগিতা জোরদার ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান।
রোববারের এক্স পোস্টে গোর লিখেছেন, ‘এই সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এর আওতায় বাংলাদেশ বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং প্রাথমিক ক্রয়াদেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।’
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দর-কষাকষির সময় বাণিজ্যঘাটতি কমাতে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি আলোচনায় আসে। তৎকালীন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার প্রসঙ্গ তোলেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ বশিরউদ্দীন বিমান বাংলাদেশের আধুনিকায়নে কতটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন, তা বিশ্লেষণ করেন। ওই উড়োজাহাজগুলো পেতে বাংলাদেশকে ২০৩৫ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলেও আলোচনা হয়। উড়োজাহাজ কিনতে একসঙ্গে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।
সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের আলোচনা এগিয়ে নিতে তখন শেখ বশিরউদ্দীন বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দেন বলে কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাওয়ার কারণেই বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
গতকাল সোমবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছেন যে, আমাদের বোয়িংগুলো ব্যবহার করেন। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নেব।’
তবে বাংলাদেশ শুধু বোয়িংয়ের ওপর নির্ভর করছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকেও উড়োজাহাজ কেনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং জার্মানি থেকে যে এয়ারবাস (উড়োজাহাজ) তৈরি হয়, সেখান থেকেও কিনছি, ওদের কাছ থেকেও কিনব। আমরা সবকিছুই বাড়াব, ভালো করব।’
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ হবে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে এ হিসাব করা হয়েছে। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে বোয়িং।

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমিও এটি ভুলব না।’ একই সঙ্গে খুব শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের প্যাডে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, ‘বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আপনার চিঠি আমি এইমাত্র পেয়েছি। আপনার কেনার সিদ্ধান্তের জন্য আমি খুবই কৃতজ্ঞ। বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এটি ভুলব না। বিষয়টির প্রতি আপনার মনোযোগের জন্য অনেক ধন্যবাদ। নিকট ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি।’

চিঠিতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাবেন। তারা অনেক কিছু পার করে এসেছে। তবে আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে তারা এবং আপনার দেশ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে যাচ্ছে।’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস চলতি বছরের এপ্রিলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১৪টি উড়োজাহাজের বাজারমূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা। বাকি উড়োজাহাজগুলো ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে বিমানের বহরে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনতে বাংলাদেশ রাজি হয়েছে বলে গত রোববার রাতে জানান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত এবং ভারতে দেশটির রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর।
নিজের এক্স পোস্টে তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে বোয়িংয়ের কেনাকাটা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে একটি ‘অভূতপূর্ব সমঝোতা’ হয়েছে। তবে নতুন করে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সে সংখ্যা তিনি উল্লেখ করেননি।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পাশাপাশি প্রয়োজনে অতিরিক্ত উড়োজাহাজ কেনার সুযোগও রাখা হয়েছিল। আগস্টের শেষ সপ্তাহে বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগ হয়েছে।
সার্জিও গোর গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। সফরের শেষ দিনে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ঢাকা ছেড়ে দিল্লি যাওয়ার আগে নিজের এক্স পোস্টে তিনি দুই দেশের সহযোগিতা জোরদার ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান।
রোববারের এক্স পোস্টে গোর লিখেছেন, ‘এই সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এর আওতায় বাংলাদেশ বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনতে কয়েক শ কোটি ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং প্রাথমিক ক্রয়াদেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।’
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দর-কষাকষির সময় বাণিজ্যঘাটতি কমাতে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি আলোচনায় আসে। তৎকালীন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের জন্য আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার প্রসঙ্গ তোলেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা শেখ বশিরউদ্দীন বিমান বাংলাদেশের আধুনিকায়নে কতটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন, তা বিশ্লেষণ করেন। ওই উড়োজাহাজগুলো পেতে বাংলাদেশকে ২০৩৫ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলেও আলোচনা হয়। উড়োজাহাজ কিনতে একসঙ্গে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না।
সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের আলোচনা এগিয়ে নিতে তখন শেখ বশিরউদ্দীন বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাব দেন বলে কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাওয়ার কারণেই বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
গতকাল সোমবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় তিনি বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাম্প একটা জিনিস চেয়েছেন যে, আমাদের বোয়িংগুলো ব্যবহার করেন। আমরা করছি, আমরা কিনছি। ১৪টি বোয়িং কিনছি, আরও আমরা লিজ নেব।’
তবে বাংলাদেশ শুধু বোয়িংয়ের ওপর নির্ভর করছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকেও উড়োজাহাজ কেনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এদিকে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং জার্মানি থেকে যে এয়ারবাস (উড়োজাহাজ) তৈরি হয়, সেখান থেকেও কিনছি, ওদের কাছ থেকেও কিনব। আমরা সবকিছুই বাড়াব, ভালো করব।’
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি উড়োজাহাজ কিনতে মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এসব উড়োজাহাজ কিনতে খরচ হবে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৩ পয়সা হিসাবে এ হিসাব করা হয়েছে। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব উড়োজাহাজ সরবরাহ করবে বোয়িং।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা
১৩ ঘণ্টা আগে
কীভাবে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিল বিএনপি- এমন এক প্রশ্নের জবাবে দলটির সিনিয়র নেতাদের একজন ডঃ খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, "প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটির নীতি ও আদর্শ জন আকাঙ্ক্ষার সাথে মিলে কাজ করেছে, যে কারণে কঠিন পরিস্থিতিতেও দলটির প্রতি জনসমর্থন ছিল দৃশ্যমান। সেটিই বিএনপিকে বৈরি পরিবে
১৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের সময় ছাত্রলীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ) নেতা গোলাম রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এমফিলের শিক্ষার্থী ছিলেন। সিন্ডিকেট সূত্র জানিয়েছে, ঢাবি কর্তৃপক্ষের গঠন করা তদন্ত কমিটিতে তার সেই ছাত্রত্ব অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে।
১ দিন আগে
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দলের ভাষ্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই সনদ অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর বিরোধী দল এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিলে তাদের ১০টি স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ দিতে রাজি আছে সরকারি দল।
২ দিন আগে