
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সদ্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়া অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারকে (সি আর আবরার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্যই তাকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এতদিন ছিলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি এখন থেকে কেবল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সামলাবেন।
বুধবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উপদেষ্টাদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আব্দুর রশীদ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।
উপদেষ্টা পরিষদের দপ্তর বণ্টন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগের অন্যান্য দপ্তর উপদেষ্টাদের মধ্যে বণ্টন বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনগুলো অপরিবর্তিত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে বুধবার সকালে অধ্যাপক আবরারকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে সকাল সোয়া ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পাঠ করেন তিনি।
অধ্যাপক আবরারের নিয়োগের বিষয়টি জানা যায় গতকাল মঙ্গলবার। এ দিন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছিলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে অধ্যাপক আবরার দায়িত্ব পেতে পারেন। শপথের পর দপ্তর পুনর্বণ্টনের প্রজ্ঞাপনে সেটিই নিশ্চিত করা হলো।
অন্যদিকে বুধবারই প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে শেখ মইনউদ্দিন ও ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবকেও নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে প্রথমজনকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং দ্বিতীয়জনকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সদ্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়া অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারকে (সি আর আবরার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্যই তাকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এতদিন ছিলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি এখন থেকে কেবল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সামলাবেন।
বুধবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উপদেষ্টাদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আব্দুর রশীদ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন।
উপদেষ্টা পরিষদের দপ্তর বণ্টন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগের অন্যান্য দপ্তর উপদেষ্টাদের মধ্যে বণ্টন বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনগুলো অপরিবর্তিত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এর আগে বুধবার সকালে অধ্যাপক আবরারকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে সকাল সোয়া ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ পাঠ করেন তিনি।
অধ্যাপক আবরারের নিয়োগের বিষয়টি জানা যায় গতকাল মঙ্গলবার। এ দিন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছিলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে অধ্যাপক আবরার দায়িত্ব পেতে পারেন। শপথের পর দপ্তর পুনর্বণ্টনের প্রজ্ঞাপনে সেটিই নিশ্চিত করা হলো।
অন্যদিকে বুধবারই প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে শেখ মইনউদ্দিন ও ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবকেও নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে প্রথমজনকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং দ্বিতীয়জনকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, 'দু-একজন নেতা এখন বলছেন, আমরা এত অসৎ ছিলাম, আপনারা সৎ ছিলেন তো কেন ছেড়ে গেলেন না? আমরা ছেড়ে যাইনি যাতে অন্তত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পায়।'
১ দিন আগে
বিগত কয়েকদিনে বিভিন্ন জায়গায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে মিটিং-মিছিল করছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে তারা যেন এ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।’
১ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে জনসাধারণ বিশেষ করে মা-বোনেরা যেভাবে ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে তাঁকে মালা উপহার দিয়েছিলেন, সেই ভালোবাসার ঋণ তিনি ভুলতে পারেননি। তিনি জানান, বিগত নির্বাচনগুলোতে তিনি কথা বলতে পারেননি, শুধু কেঁদেছেন। এবার একটি সুয
১ দিন আগে
মাহদী আমিন বলেন, এই সংঘাত কি এড়ানো যেত কিনা, নির্ধারিত সময়ের আগে একটি দল কেন সব চেয়ার দখল করে রাখল? সেই দলের লোক কেন সেখানে লাঠিশোঠা জড়ো করল? সবার সম্মিলিত অনুরোধ উপেক্ষা করে সেই দলের প্রার্থী কেন সংঘাতের পথ বেছে নিলেন, এসব বিষয় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।
১ দিন আগে