
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় প্রত্যাখ্যান করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। একই সঙ্গে রায়কে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি এ প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। জাসদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের মূল উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেছে। তাদের ভাষ্য, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিচার ওই ট্রাইব্যুনালে হওয়াই ‘প্রহসন’।
দলটি আরও দাবি করে, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার কারণেই হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত হওয়া এবং জুলাই-আগস্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ‘ভিত্তিহীন, মনগড়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিচার চলাকালে সরকারপক্ষ তাদের আনা আটটি অভিযোগের একটিও প্রমাণ করতে পারেনি। একই সঙ্গে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট সময়ে হাসানুল হক ইনু মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কোনো দায়িত্বে ছিলেন না এবং পুলিশ, বিজিবি বা সেনাবাহিনীসহ কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর তার নিয়ন্ত্রণও ছিল না। কুষ্টিয়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করা যায়নি বলেও দাবি জাসদের।
রায়কে ‘বিচারের নামে প্রহসন’ উল্লেখ করে জাসদ বলেছে, তারা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশের বিবেকবান মানুষ, মানবাধিকারকর্মী, বিভিন্ন দেশ, সরকার ও সংস্থার প্রতি এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হাসানুল হক ইনুর আইনজীবীরা তার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাজনীতি/আরআইআর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় প্রত্যাখ্যান করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। একই সঙ্গে রায়কে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি এ প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। জাসদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আদালতের মূল উদ্দেশ্য পরিবর্তন করেছে। তাদের ভাষ্য, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিচার ওই ট্রাইব্যুনালে হওয়াই ‘প্রহসন’।
দলটি আরও দাবি করে, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার কারণেই হাসানুল হক ইনু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত হওয়া এবং জুলাই-আগস্টে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা ‘ভিত্তিহীন, মনগড়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিচার চলাকালে সরকারপক্ষ তাদের আনা আটটি অভিযোগের একটিও প্রমাণ করতে পারেনি। একই সঙ্গে দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট সময়ে হাসানুল হক ইনু মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কোনো দায়িত্বে ছিলেন না এবং পুলিশ, বিজিবি বা সেনাবাহিনীসহ কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর তার নিয়ন্ত্রণও ছিল না। কুষ্টিয়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করা যায়নি বলেও দাবি জাসদের।
রায়কে ‘বিচারের নামে প্রহসন’ উল্লেখ করে জাসদ বলেছে, তারা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশের বিবেকবান মানুষ, মানবাধিকারকর্মী, বিভিন্ন দেশ, সরকার ও সংস্থার প্রতি এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হাসানুল হক ইনুর আইনজীবীরা তার পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
রাজনীতি/আরআইআর

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে