
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের অর্থনীতিকে শূন্য করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আয়োজনে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “৭ নভেম্বর যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, আজ সেই ঐক্যের পুনর্গঠন জরুরি। আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্য সময়ে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অথচ স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের অর্থনীতিকে খালি করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের সার্বভৌমত্বকে প্রায় আরেক দেশের হাতে তুলে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও হয়েছে।”
সরকারের বিরুদ্ধে আগুন সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আজ যারা পালিয়ে গেছে তারা ভারতে বসে সেই পুরনো স্টাইলে আগুন সন্ত্রাস করছে। শেখ হাসিনার বিচারের রায়ের সময় বিভিন্ন স্থানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নতুনভাবে আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টি হলে তার লাভবান হবে পতিত স্বৈরাচার এবং তাদের দোসররা। তারা আমাদের ঐক্যের ভেতর ফাটল ধরাতে মরিয়া। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ যে অভূতপূর্ব ঐক্য প্রদর্শন করেছিল, আজও সেই ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তার দোসর এখনো দেশে সক্রিয়। তাই আশপাশের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঐক্য বজায় রাখতে পারলে দেশ উপকৃত হবে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “রাজনৈতিক ঐক্য অটুট রাখতে পারলে যেমন দেশ ৭ নভেম্বর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে উপকৃত হয়েছিল, তেমনি আগামী নির্বাচনেরও সুফল পাবে জাতি।”
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমির হোসেন আমির, সদস্য সচিব মো. বাকিবিল্লাহ, দক্ষিণের সদস্য সচিব কে এম সোহেল রানা সহ দুই মহানগরের নেতাকর্মীরা।

স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের অর্থনীতিকে শূন্য করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের আয়োজনে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “৭ নভেম্বর যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, আজ সেই ঐক্যের পুনর্গঠন জরুরি। আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্য সময়ে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অথচ স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের অর্থনীতিকে খালি করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, দেশের সার্বভৌমত্বকে প্রায় আরেক দেশের হাতে তুলে দেওয়ার মতো ষড়যন্ত্রও হয়েছে।”
সরকারের বিরুদ্ধে আগুন সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আজ যারা পালিয়ে গেছে তারা ভারতে বসে সেই পুরনো স্টাইলে আগুন সন্ত্রাস করছে। শেখ হাসিনার বিচারের রায়ের সময় বিভিন্ন স্থানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে নতুনভাবে আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের রাজনীতিতে বিভাজন সৃষ্টি হলে তার লাভবান হবে পতিত স্বৈরাচার এবং তাদের দোসররা। তারা আমাদের ঐক্যের ভেতর ফাটল ধরাতে মরিয়া। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ যে অভূতপূর্ব ঐক্য প্রদর্শন করেছিল, আজও সেই ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তার দোসর এখনো দেশে সক্রিয়। তাই আশপাশের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঐক্য বজায় রাখতে পারলে দেশ উপকৃত হবে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “রাজনৈতিক ঐক্য অটুট রাখতে পারলে যেমন দেশ ৭ নভেম্বর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে উপকৃত হয়েছিল, তেমনি আগামী নির্বাচনেরও সুফল পাবে জাতি।”
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্যজীবী দল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমির হোসেন আমির, সদস্য সচিব মো. বাকিবিল্লাহ, দক্ষিণের সদস্য সচিব কে এম সোহেল রানা সহ দুই মহানগরের নেতাকর্মীরা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে