
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পথেই ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার হাঁটছে বলে মনে করছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনব্যবস্থার সবকিছুই বিএনপির দরকার, যা বিএনপি মুখ ফুটে বলতে পারছে না।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে মাত্র এক বাক্যের এমন একটি পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির এই নেতা অবশ্য পোস্টে সরাসরি ক্ষমতাসীন বিএনপির নাম উল্লেখ করেননি।
হাসনাত লিখেছেন, ‘এখন শুধু এটুকুই বলার বাকি— আমাদের হাসিনা ব্যবস্থার সবকিছুই দরকার, শুধু হাসিনা ছাড়া।’
নেটিজেনরা বলছেন, সাম্প্রতিক জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অবস্থান নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। এর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি হওয়া কয়েকটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করার বিয়ষটিও রয়েছে।
সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরোধ সংসদ অধিবেশন বসার পর তীব্র হয়েছে। বিরোধী দলের অভিযোগ, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকার ‘টালবাহানা’ করছে।
বিএনপি অবশ্য বরাবরের মতোই বলছে, যে জুলাই সনদে তারা সই করেছে তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংবিধানসম্মত নয় বলে তারা এ পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতা এই পরিষদ গঠন নিয়ে মুলতবি নোটিশ দিলে আলোচনাতেও সরকারি দল এর বিরোধিতা করেছে।
এর বদলে বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর প্রকৃত বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে— এ বিষয়ে তার মুলতবি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে স্পিকার এর ওপর আলোচনার জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ট্রেজারি বেঞ্চ বা সরকারি দলের কোনো মুলতবি প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হলো।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়েও সরকার ও বিরোধী দলের মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি, আরও ১৬টি অধ্যাদেশ আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রেখে এখনই সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো— জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪; সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫; এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
বহুল কাঙ্ক্ষিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এই চারটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ওই সময় এসব অধ্যাদেশের বলেই পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে বিএনপির আইনজীবী নেতাদের অনেকে উপস্থিত ছিলেন এবং সে উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
এসব অধ্যাদেশ বাতিল করার মধ্য দিয়ে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় কতটুকু বিশ্বাস করে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বাকি যেসব অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো— গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫; দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রশংসা পাওয়া এই অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপন না করার মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গুম-খুন, মানবাধিকার ও দুর্নীতি ইস্যুতে জুলাইয়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের চর্চাতেই ফিরে যাচ্ছে বলে দাবি বিরোধীদের।
এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্টেও এমন অভিমতই প্রতিফলিত হয়েছে বলে ওই পোস্টের কমেন্টেও উল্লেখ করেছেন অনেকে।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পথেই ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার হাঁটছে বলে মনে করছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনব্যবস্থার সবকিছুই বিএনপির দরকার, যা বিএনপি মুখ ফুটে বলতে পারছে না।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে মাত্র এক বাক্যের এমন একটি পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির এই নেতা অবশ্য পোস্টে সরাসরি ক্ষমতাসীন বিএনপির নাম উল্লেখ করেননি।
হাসনাত লিখেছেন, ‘এখন শুধু এটুকুই বলার বাকি— আমাদের হাসিনা ব্যবস্থার সবকিছুই দরকার, শুধু হাসিনা ছাড়া।’
নেটিজেনরা বলছেন, সাম্প্রতিক জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির অবস্থান নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। এর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি হওয়া কয়েকটি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করার বিয়ষটিও রয়েছে।
সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরোধ সংসদ অধিবেশন বসার পর তীব্র হয়েছে। বিরোধী দলের অভিযোগ, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকার ‘টালবাহানা’ করছে।
বিএনপি অবশ্য বরাবরের মতোই বলছে, যে জুলাই সনদে তারা সই করেছে তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংবিধানসম্মত নয় বলে তারা এ পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতা এই পরিষদ গঠন নিয়ে মুলতবি নোটিশ দিলে আলোচনাতেও সরকারি দল এর বিরোধিতা করেছে।
এর বদলে বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক সংসদে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর প্রকৃত বাস্তবায়ন পদ্ধতি কী হবে— এ বিষয়ে তার মুলতবি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে স্পিকার এর ওপর আলোচনার জন্য দিনক্ষণ নির্ধারণ করেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ট্রেজারি বেঞ্চ বা সরকারি দলের কোনো মুলতবি প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হলো।
এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়েও সরকার ও বিরোধী দলের মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি, আরও ১৬টি অধ্যাদেশ আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রেখে এখনই সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে সেগুলো হলো— জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ, ২০২৪; সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫; সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫; এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬।
বহুল কাঙ্ক্ষিত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এই চারটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ওই সময় এসব অধ্যাদেশের বলেই পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে বিএনপির আইনজীবী নেতাদের অনেকে উপস্থিত ছিলেন এবং সে উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
এসব অধ্যাদেশ বাতিল করার মধ্য দিয়ে বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় কতটুকু বিশ্বাস করে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বাকি যেসব অধ্যাদেশ সংসদে এখনই বিল আকারে উত্থাপন না করে পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন বিল আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো— গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫; দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫; জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রশংসা পাওয়া এই অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপন না করার মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গুম-খুন, মানবাধিকার ও দুর্নীতি ইস্যুতে জুলাইয়ে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের চর্চাতেই ফিরে যাচ্ছে বলে দাবি বিরোধীদের।
এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্টেও এমন অভিমতই প্রতিফলিত হয়েছে বলে ওই পোস্টের কমেন্টেও উল্লেখ করেছেন অনেকে।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গঠিত জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি প্রথমবারের মতো আগামী ৪ আগস্ট বৈঠকে বসছে। তবে সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন— এ মৌলিক মতপার্থক্যের কারণে বিরোধী দল এখনো কমিটিতে যোগ না দেওয়ায় তাদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদ শূন্যই থাকছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
১২ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৬ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে