
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যেকার বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তবে এ বৈঠকে বিচার ও সংস্কার প্রাধান্য পায়নি অভিযোগ করে হতাশাও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে লন্ডনের পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টারে বহুল আলোচিত এ বৈঠক শুরু হয়। পরে রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বৈঠক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান হাসনাত।
অধ্যাপক ইউনূস ও তারেক রহমানের ওই বৈঠকের পর সরকার ও বিএনপির যৌথ এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে তারেক রহমান আগামী বছরের রমজানের আগেই তথা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন। জবাবে প্রধান উপদেষ্টা জানান, বিচার ও সংস্কার কার্যক্রমের পর্যাপ্ত অগ্রগতি হলে ও প্রস্তুতি শেষ করা গেলে এ সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।
এ বৈঠক নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। জাতীয় ঐক্যমত্যের প্রশ্নে, দেশের স্বার্থে সরকারের সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলের এমন সুসম্পর্কই কাম্য।
তবে বৈঠক নিয়ে হতাশার কথাও জানিয়েছেন হাসনাত। লিখেছেন, হতাশার বিষয়— বৈঠকে নির্বাচনের মাস ও তারিখ যেভাবে গুরুত্ব পেয়েছে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা বিচার ও সংস্কার সেভাবে প্রাধান্য পায়নি। এ সরকার শুধু নির্বাচন দেওয়ার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো রূপ নয়, বরং একটি অভ্যুত্থানের ওপর দাঁড়িয়ে, দেশের মানুষের অসংখ্য ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কাছে দায়বদ্ধ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
জাতীয় নির্বাচনের জন্য কিছু পূর্বশর্ত রয়েছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ, মৌলিক সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন নির্বাচনের পূর্বশর্ত। জুলাই সনদের আগে নির্বাচনের মাস আর তারিখ নিয়ে কথা বলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়বদ্ধতা ভুলে যাওয়ার নামান্তর। সনদ রচনার পরেই নির্বাচন বিষয়ক আলোচনা চূড়ান্ত হওয়া উচিত।
নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন হাসনাত। তিনি লিখেছেন, দেশের স্থানীয় পর্যায়ে এরই মধ্যে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, প্রশাসনকে প্রভাবিত করা, পেশী শক্তির প্রদর্শনসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা দৃষ্টান্ত প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হচ্ছে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা। এটি নির্বাচনের অন্যতম আরেকটি পূর্বশর্ত।
বিচার ও সংস্কারে গুরুত্ব দিয়ে হাসনাত লিখেছেন, নির্বাচনের মাস এপ্রিল কিংবা ফেব্রুয়ারি যেটাই হোক না কেন, তার চেয়ে মুখ্য বিষয় হচ্ছে নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ, দৃশ্যমান বিচার ও মৌলিক সংস্কার গুলো হচ্ছে কি না।

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যেকার বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তবে এ বৈঠকে বিচার ও সংস্কার প্রাধান্য পায়নি অভিযোগ করে হতাশাও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার দিকে লন্ডনের পার্ক লেনের হোটেল ডোরচেস্টারে বহুল আলোচিত এ বৈঠক শুরু হয়। পরে রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বৈঠক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান হাসনাত।
অধ্যাপক ইউনূস ও তারেক রহমানের ওই বৈঠকের পর সরকার ও বিএনপির যৌথ এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে তারেক রহমান আগামী বছরের রমজানের আগেই তথা ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন। জবাবে প্রধান উপদেষ্টা জানান, বিচার ও সংস্কার কার্যক্রমের পর্যাপ্ত অগ্রগতি হলে ও প্রস্তুতি শেষ করা গেলে এ সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।
এ বৈঠক নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠককে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। জাতীয় ঐক্যমত্যের প্রশ্নে, দেশের স্বার্থে সরকারের সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলের এমন সুসম্পর্কই কাম্য।
তবে বৈঠক নিয়ে হতাশার কথাও জানিয়েছেন হাসনাত। লিখেছেন, হতাশার বিষয়— বৈঠকে নির্বাচনের মাস ও তারিখ যেভাবে গুরুত্ব পেয়েছে, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা বিচার ও সংস্কার সেভাবে প্রাধান্য পায়নি। এ সরকার শুধু নির্বাচন দেওয়ার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোনো রূপ নয়, বরং একটি অভ্যুত্থানের ওপর দাঁড়িয়ে, দেশের মানুষের অসংখ্য ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কাছে দায়বদ্ধ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
জাতীয় নির্বাচনের জন্য কিছু পূর্বশর্ত রয়েছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ, মৌলিক সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন নির্বাচনের পূর্বশর্ত। জুলাই সনদের আগে নির্বাচনের মাস আর তারিখ নিয়ে কথা বলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়বদ্ধতা ভুলে যাওয়ার নামান্তর। সনদ রচনার পরেই নির্বাচন বিষয়ক আলোচনা চূড়ান্ত হওয়া উচিত।
নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন হাসনাত। তিনি লিখেছেন, দেশের স্থানীয় পর্যায়ে এরই মধ্যে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, প্রশাসনকে প্রভাবিত করা, পেশী শক্তির প্রদর্শনসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের নানা দৃষ্টান্ত প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হচ্ছে। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা। এটি নির্বাচনের অন্যতম আরেকটি পূর্বশর্ত।
বিচার ও সংস্কারে গুরুত্ব দিয়ে হাসনাত লিখেছেন, নির্বাচনের মাস এপ্রিল কিংবা ফেব্রুয়ারি যেটাই হোক না কেন, তার চেয়ে মুখ্য বিষয় হচ্ছে নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ, দৃশ্যমান বিচার ও মৌলিক সংস্কার গুলো হচ্ছে কি না।

তিতুমীর বলেন, দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফটি)। বর্তমানে সরবরাহ রয়েছে ২৬শ থেকে ২৭শ এমএমসিএফটি। এর মধ্যে ১৬শ এমএমসিএফটি আসে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ১ হাজার এমএমসিএফটি।
১ দিন আগে
দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হলো সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
১ দিন আগে
সাক্ষাতে সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চ্যালেঞ্জগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিক ভাবমূর্তি সংকট দলটির আদর্শিক অবস্থানকে অস্পষ্ট করে তুলেছে। সে অস্পষ্টতা তাদের মাঠের রাজনীতিকেই কেবল নয়, জোটগত রাজনীতিকেও কঠিন করেছে। এর সূত্র ধরেই ভাঙনের মুখেও রয়েছে তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।
১ দিন আগে