
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

একবছরে বিএনপির আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি ব্যয়ও লাফিয়ে বেড়েছে। ২০২৫ পঞ্জিকা বছরের আর্থিক বিবরণীতে দলটি জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যয় প্রায় তিনগুণ হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদের কাছে দলের অডিট করা আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়।
দলের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা। একই সময়ে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা।
এর আগে ২০২৪ সালে বিএনপি আয় দেখিয়েছিল ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। ওই বছর ব্যয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দলের ব্যয় তিনগুণের বেশি বেড়েছে।
চলতি বছরের উদ্বৃত্ত যোগ হওয়ায় আগের স্থিতিসহ বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে ২৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
সাধারণত সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে দেখানো হয়। বিএনপিও একই ধরনের উৎস থেকে আয় দেখিয়েছে।
অন্যদিকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুস্থ নেতা-কর্মীদের সহায়তার খাতকে ব্যয়ের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে দলটি।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে রিজভীর পাশাপাশি দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক দলের আয়-ব্যয়ের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। টানা তিন বছর এ হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

একবছরে বিএনপির আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি ব্যয়ও লাফিয়ে বেড়েছে। ২০২৫ পঞ্জিকা বছরের আর্থিক বিবরণীতে দলটি জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যয় প্রায় তিনগুণ হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদের কাছে দলের অডিট করা আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়।
দলের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে বিএনপির মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা। একই সময়ে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা।
এর আগে ২০২৪ সালে বিএনপি আয় দেখিয়েছিল ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। ওই বছর ব্যয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২০ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দলের ব্যয় তিনগুণের বেশি বেড়েছে।
চলতি বছরের উদ্বৃত্ত যোগ হওয়ায় আগের স্থিতিসহ বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে ২৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ রয়েছে বলে দলটি জানিয়েছে।
সাধারণত সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে দেখানো হয়। বিএনপিও একই ধরনের উৎস থেকে আয় দেখিয়েছে।
অন্যদিকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশ, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুস্থ নেতা-কর্মীদের সহায়তার খাতকে ব্যয়ের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে দলটি।
বিএনপির প্রতিনিধি দলে রিজভীর পাশাপাশি দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
হিসাব জমা দেওয়ার পর রুহুল কবির রিজভী বলেন, সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক দলের আয়-ব্যয়ের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হয়। টানা তিন বছর এ হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।

‘ঘোষণা ও বিবৃতিসহ’ বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সই, প্রস্তাবক ও সমর্থকের নাম, ঠিকানা, সই সম্বলিত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্বকারী ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলামই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, বাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতার।
৩ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে দলের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলামকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টায় এ বৈঠক শুরু হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি পদে এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জামায়াত নেতা এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ মনোনয়নপত্র জমা দেয়।
৬ ঘণ্টা আগে