
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে মানুষের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটালাইজেশন করার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকার পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি যেভাবে দাড় করিয়েছে সে কারণে ট্রাফিকসহ বিভিন্ন পুলিশের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সরকার পতনের সময় অনেকগুলো ট্রাফিক বক্সে আগুন লেগেছে। যে কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি সংস্কারের প্রয়োজন আছে। আমরা সবকিছু সংস্কারের সঙ্গে এ ট্রাফিক ব্যবস্থারও সংস্কারের কথা বলছি। যাতে করে বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে উন্নত দেশের মতো সংস্কার করে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা করা যায় সে ব্যবস্থা করবো। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে মানুষের ব্যবহার কমিয়ে কীভাবে ডিজিটালাইজেশন করা যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনের এনএসসি মিলনায়তনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অনেক শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব পেয়েছি। ৫ আগস্টের পর তিনদিন আমরা শাসন হীন অবস্থায় ছিলাম। তখন শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ পর্যন্ত করেছেন। দেশকে রক্ষার দায়িত্ব তরুণরা নিয়ে দেখিয়েছেন সরকার ছাড়াও চাইলে দেশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারার বড় কারণ হচ্ছে সচেতনতার অভাব এমনটি জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের থাকার থেকে ট্রাফিক মেনে চলার যে সচেতনতা তা সব থেকে বড় বিষয়। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা খুবই কম। সেখানে মানুষ ট্রাফিক লাইট দেখে নিয়মকানুন মেনে চলে। কিন্তু আমাদের সচেতনতার অভাব থাকার কারণে যদি ট্রাফিক পুলিশ বেশিও রাখা হয় তাহলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই এ সচেতনতা আমাদের সমাজে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। আর শিক্ষার্থীরাই এ সচেতনতা বাড়ানোর সব থেকে বড় মাধ্যম হতে পারেন। এ কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ট্রাফিকের অনেক নিয়মকানুন জানতে পারবেন। পাশাপাশি পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজনদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কিছু সরঞ্জামের কথা আপনারা (শিক্ষার্থীরা) বলেছেন। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ট্রাফিক বিভাগ আছে তাদের অনুরোধ করবো তারা যেন সঠিক লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করেন।
ছাত্ররা ২০১৮ সালেও ট্রাফিক কন্ট্রোল করেছে উল্লেখ উপদেষ্টা বলেন, ছাত্ররা এবার যে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে বিষয়টি এমন নয়। আমি যখন প্রথম বর্ষে ছিলাম তখনও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করেছি। সে সময় সরকারের ট্রাফিক ব্যবস্থা খুবই ভঙ্গুর ছিল। তখন আমরা মানুষকে সচেতন করে হেলমেট পড়তে বাধ্য করেছি।
এ সময় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, এমন ধরনের কর্মশালার ব্যবস্থা করার জন্য যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা প্রাথমিকভাবে দুটি কর্মশালার আয়োজন করেছি। যদি আমাদের বাজেট থাকে তাহলে এ আয়োজন আমরা ধারাবাহিকভাবে করবো। তবে এটি সড়ক ও বিআরটিএর করার কথা।
তিনি বলেন, আমি একটা কথা বলতে চাই ট্রাফিক কন্ট্রোল কিন্তু ছাত্রদের মূল কাজ নয়। এটি ট্রাফিকের দায়িত্ব। তবে সাময়িক সময়ের জন্য শিক্ষার্থীরা যদি ট্রাফিক কন্ট্রোল করে তাহলে তারাসহ সবাই সচেতন হবে। ট্রাফিক কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে ট্রাফিকের যেমন দায় আছে একইভাবে সড়কে যারা চলাচল করে তাদেরও কিন্তু সচেতনতার অভাব আছে। আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের সচেতন করতে পারবে। যদিও আমাদের দেশের ট্রাফিক সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা নেই।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এ সচিব বলেন, শুধু ট্রাফিক আইন জানলেই হবে না। এর পাশাপাশি অন্যান্য আইন সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের জানার প্রয়োজন আছে। শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো, রাস্তায় যখন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করবেন তখন অবশ্যই আপনি নিজে আগে আইন মানবেন। কারণ এ শিক্ষার্থীরাই হচ্ছে আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক গাজী মো. সাইফুজ্জামান বলেন, ১৮ থেকে ৩৫ বছরের লোকজনদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব হচ্ছে মূলত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২ হাজার ১০০ জন যুবককে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ করানো হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এ মহাপরিচালক বলেন, শৃঙ্খলা একটি জাতির সব থেকে বেশি প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে একটি শৃঙ্খল বাংলাদেশ তৈরি করবো।
উল্লেখ্য, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। দুদিনে মোট ১৩টি সেশনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রশিক্ষণ দেবেন। যার প্রথম বেচে ৩৩৫ জন শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ওপর প্রশিক্ষাণ দেওয়া হবে।

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে মানুষের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটালাইজেশন করার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকার পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি যেভাবে দাড় করিয়েছে সে কারণে ট্রাফিকসহ বিভিন্ন পুলিশের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সরকার পতনের সময় অনেকগুলো ট্রাফিক বক্সে আগুন লেগেছে। যে কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি সংস্কারের প্রয়োজন আছে। আমরা সবকিছু সংস্কারের সঙ্গে এ ট্রাফিক ব্যবস্থারও সংস্কারের কথা বলছি। যাতে করে বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে উন্নত দেশের মতো সংস্কার করে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থা করা যায় সে ব্যবস্থা করবো। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে মানুষের ব্যবহার কমিয়ে কীভাবে ডিজিটালাইজেশন করা যায় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ভবনের এনএসসি মিলনায়তনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অনেক শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব পেয়েছি। ৫ আগস্টের পর তিনদিন আমরা শাসন হীন অবস্থায় ছিলাম। তখন শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ পর্যন্ত করেছেন। দেশকে রক্ষার দায়িত্ব তরুণরা নিয়ে দেখিয়েছেন সরকার ছাড়াও চাইলে দেশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারার বড় কারণ হচ্ছে সচেতনতার অভাব এমনটি জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের থাকার থেকে ট্রাফিক মেনে চলার যে সচেতনতা তা সব থেকে বড় বিষয়। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা খুবই কম। সেখানে মানুষ ট্রাফিক লাইট দেখে নিয়মকানুন মেনে চলে। কিন্তু আমাদের সচেতনতার অভাব থাকার কারণে যদি ট্রাফিক পুলিশ বেশিও রাখা হয় তাহলেও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই এ সচেতনতা আমাদের সমাজে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। আর শিক্ষার্থীরাই এ সচেতনতা বাড়ানোর সব থেকে বড় মাধ্যম হতে পারেন। এ কর্মশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ট্রাফিকের অনেক নিয়মকানুন জানতে পারবেন। পাশাপাশি পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজনদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে পারবেন।
তিনি বলেন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কিছু সরঞ্জামের কথা আপনারা (শিক্ষার্থীরা) বলেছেন। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে ট্রাফিক বিভাগ আছে তাদের অনুরোধ করবো তারা যেন সঠিক লজিস্টিক সাপোর্ট প্রদান করেন।
ছাত্ররা ২০১৮ সালেও ট্রাফিক কন্ট্রোল করেছে উল্লেখ উপদেষ্টা বলেন, ছাত্ররা এবার যে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে বিষয়টি এমন নয়। আমি যখন প্রথম বর্ষে ছিলাম তখনও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করেছি। সে সময় সরকারের ট্রাফিক ব্যবস্থা খুবই ভঙ্গুর ছিল। তখন আমরা মানুষকে সচেতন করে হেলমেট পড়তে বাধ্য করেছি।
এ সময় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, এমন ধরনের কর্মশালার ব্যবস্থা করার জন্য যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা প্রাথমিকভাবে দুটি কর্মশালার আয়োজন করেছি। যদি আমাদের বাজেট থাকে তাহলে এ আয়োজন আমরা ধারাবাহিকভাবে করবো। তবে এটি সড়ক ও বিআরটিএর করার কথা।
তিনি বলেন, আমি একটা কথা বলতে চাই ট্রাফিক কন্ট্রোল কিন্তু ছাত্রদের মূল কাজ নয়। এটি ট্রাফিকের দায়িত্ব। তবে সাময়িক সময়ের জন্য শিক্ষার্থীরা যদি ট্রাফিক কন্ট্রোল করে তাহলে তারাসহ সবাই সচেতন হবে। ট্রাফিক কন্ট্রোল করার ক্ষেত্রে ট্রাফিকের যেমন দায় আছে একইভাবে সড়কে যারা চলাচল করে তাদেরও কিন্তু সচেতনতার অভাব আছে। আমি মনে করি শিক্ষার্থীরা তাদের সচেতন করতে পারবে। যদিও আমাদের দেশের ট্রাফিক সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা নেই।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এ সচিব বলেন, শুধু ট্রাফিক আইন জানলেই হবে না। এর পাশাপাশি অন্যান্য আইন সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের জানার প্রয়োজন আছে। শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো, রাস্তায় যখন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করবেন তখন অবশ্যই আপনি নিজে আগে আইন মানবেন। কারণ এ শিক্ষার্থীরাই হচ্ছে আমাদের আগামীর ভবিষ্যৎ।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক গাজী মো. সাইফুজ্জামান বলেন, ১৮ থেকে ৩৫ বছরের লোকজনদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব হচ্ছে মূলত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২ হাজার ১০০ জন যুবককে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ করানো হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এ মহাপরিচালক বলেন, শৃঙ্খলা একটি জাতির সব থেকে বেশি প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে একটি শৃঙ্খল বাংলাদেশ তৈরি করবো।
উল্লেখ্য, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। দুদিনে মোট ১৩টি সেশনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রশিক্ষণ দেবেন। যার প্রথম বেচে ৩৩৫ জন শিক্ষার্থীদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ওপর প্রশিক্ষাণ দেওয়া হবে।

অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।
১৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিল না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এই ইস্যুতে কাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন এই দলটি।
১৯ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।
১৯ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
২০ ঘণ্টা আগে