কোন কোন দলের জন্য ৪৭ আসন ফাঁকা রাখল ১১ দলীয় জোট?

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আসন সমঝোতার কথা তুলে ধরে বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ১১ দল। ছবি: জামায়াতের ফেসবুক পেজ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করে এনেছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনি জোট। সংবাদ সম্মেলন করে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জোটের আটটি দলের জন্য ২৫৩টি আসনে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এখনো কোনো দলের মধ্যে বণ্টন করা হয়নি।

অন্যদিকে জোটের তিন দলের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আসন চূড়ান্ত করা হয়নি, যার মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এখনো এ জোটে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তাই কাটেনি। দলটি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতও ছিল না।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাদে বাকি সব দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, আসন সমঝোতার ঘোষণা দেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসন, খেলাফত মজলিস ১০টি আসন, এলডিপি সাতটি আসন, এবি পার্টি তিনটি আসন এবং নেজামে ইসলাম ও বিডিপি দুটি আসন পেয়েছে সমঝোতায়।

৩০০ আসনের মধ্যে জোটের পক্ষ থেকে আসন সমঝোতায় এখনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি ৪৭ আসনে। তবে জোটে তিনটি দলও বাকি আছে, যারা কোনো আসন পায়নি। দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।

জানা গেছে, এই তিন দলের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের আসনের চাহিদা ও বণ্টন নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণেই চূড়ান্ত ঘোষণা বিলম্বে হয়েছে। এখন পর্যন্ত দলটির জোটে থাকার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। জোটে থাকলে ৪৭ আসনের বেশির ভাগই তাদের দেওয়া হতে পারে। এমনকি জাগপার প্রার্থীরা নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তেমন হলে ইসলামী আন্দোলন ৪৭টি আসনের সবগুলোও পেতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য কতগুলো আসন ছাড় দেওয়া হয়েছে, তা সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে কেউ অংশও নেয়নি। বরং নির্বাচন ও আসন সমঝোতা নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন— জবাবে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।

৪ দিন আগে

‘জিয়াউর রহমান আর ১০ বছর বাঁচলে বাংলাদেশ অনন্য দেশ হতো’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না

৬ দিন আগে

সরকার স্বস্তি দিতে চায়, বিরোধীদল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

৭ দিন আগে

প্রস্তাবিত বাজেট কথার ফুলঝুরি, রাজনৈতিক চমকবাজি: জাসদ

প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।

৯ দিন আগে