এই সরকারের দ্রুত বিদায় নেওয়া দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল: জিএম কাদের

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৫, ২২: ০৭
জাতীয় পার্টির চেয়াারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি

অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। এ কারণে এ সরকার যত দ্রুত বিদায় নেয় ততই মঙ্গল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

জি এম কাদের বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু এই সরকার মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। দেশের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে এই সরকার দেশকে আগুনের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সরকারের দ্রুত বিদায় নেওয়া দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল।

বুধবার (১৯ মার্চ) ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিলে ‘সন্ত্রাসী হামলা’র প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে জি এম কাদের এসব কথা বলেন। এ দিন বিকেলে কচুক্ষেতসংলগ্ন দ্য বুফে প্যালেসে জাপার ইফতার মাহফিলে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার ঘটনার পর জি এম কাদের বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এত ভয়াবহ অবস্থা স্মরণকালে কেউ দেখিনি। পুলিশ প্রশাসনকে ঢালাওভাবে স্বৈরাচারের দোসর আখ্যা ও মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা হয়েছে। পুলিশের মনোবল ফেরাতে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। পুলিশ প্রশাসনকে অকার্যকর করা হয়েছে।

হামলার পরে গণমাধ্যম কর্মীদের গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, এই সরকার নির্বাচনের নামে প্রহসনের আয়োজন করবে। আমাদের সঙ্গে বৈষম্য করে এই সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। শুধু মিছিল-মিটিং নয়, এই সরকারের আমলে ইফতার পার্টিও করতে দিচ্ছে না। তারা নিজেদের লোক দিয়ে একটি রাজনৈতিক দল তৈরি করেছে। সেই দলকে ক্ষমতাসীন করতে সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ করছে। সরকারের সব পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে নতুন দলটি।

এমন পরিস্থিতিতে সঠিক নির্বাচন সম্ভব নয় মন্তব্য করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এই সরকারের চলে যাওয়া উচিত। তারা দেশ চালাতে পারছে না। এই সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনও দিতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে চাচ্ছে।

সরকারে জ্ঞানী-গুণী লোক থাকলেও তাদের দেশ চালানোর অভিজ্ঞতা নেই বলে মন্তব্য করেন জি এম কাদের। তিনি আরও বলেন, তাদের কোনো প্রস্তাবনা বাস্তবসম্মত হবে না। এই সরকার দেশকে বিভক্ত করে ফেলছে। ইসলামী উগ্রপন্থি ও রক্ষণশীলদের এক করেছে, আর উদারপন্থিদের ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে অপবাদ দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ভিন্ন মতালম্বীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই, মনে হচ্ছে তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই। দেশের অর্ধেক মানুষকে বাদ দিয়ে তারা একটি রাজনীতি করতে চাচ্ছে, তাতে দেশ ধ্বংসের মুখে চলে যাচ্ছে।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ঢাকা-১১ : তিন কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে নাহিদ ইসলাম

বৃহস্পতিবার (আজ) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে বড় কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ ছাড়াই একটানা ভোট চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোট হয়েছে। বেলা ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৩ হাজারের মধ্যে ৩৬ হাজার কেন্দ্রে ৪৮ শতাংশের মতো ভোট পড়ার তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

৬ ঘণ্টা আগে

এক কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে জামায়াত আমির

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন. নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন ভোটার রয়েছে। এছাড়া এখানে মোট কেন্দ্র ছিল ১২৭ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট

৬ ঘণ্টা আগে

অধিকাংশ কেন্দ্রে বিপুল ভোটে এগিয়ে মির্জা ফখরুল

২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৯ জন; এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮০ জন। এবার ১১

৬ ঘণ্টা আগে

৩ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত চায় ১১ দলীয় জোট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তিনটি আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ‘ভোটগ্রহণে বিশৃঙ্খলার’ অভিযোগ তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তারা সেখানকার ভোট স্থগিত করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে।

৯ ঘণ্টা আগে