
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করেন না প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার ভাষায়, আওয়ামী লীগ ‘একটি মাফিয়া গ্যাং’। ইতালিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা করার ঘটনার প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলন করেন জাহেদ উর রহমান। সেখানে ইতালিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা-লাঞ্ছিত করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ। এ ছাড়া ইতালিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে ‘হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত’ হওয়ার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বাংলাদেশ সময় সোমবার গভীররাতে ভেনিস শহরের মেস্ত্রে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই অভিনেত্রী ফেসবুক লাইভে বলেন, আওয়ামী লীগের একদল কর্মী তাকে গায়ে পানি ও কোক ছুড়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে...তারা বলেছে যে, আমি জুলাই যোদ্ধা। ইয়েস, আই অ্যাম। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে, তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে বলেছে যে, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে। তো এবং তারা সেগুলো ভিডিও করেছে এবং সেগুলো তারা লাইভ করছিল, আপলোড করছিল।”
আজমেরী হক বাঁধনকে লাঞ্ছিত করার প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক দল মনে করি না। ইটস আ মাফিয়া গ্যাং। এই যে মাফিয়া গ্যাং বলছি, এটার একটা প্রমাণ হচ্ছে, কেউ কেউ তাদেরকে রাজনৈতিক দল বলে, তাদের এক ধরনের অধিকার আছে, রাজনীতি করবে না কেন, এই আলাপ তুলতে আসেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের ওপর যা হল, আমার মনে হয়— এটা আবার বোঝাল ওদের আদৌ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে কোনোভাবে আমাদের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত হবে কি না।’
তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, ‘আজমেরি হক বাঁধনের উপরে হামলা হয়েছে, আমরা ভিডিও দেখেছি— সেটা উনি না, যারা হামলা করেছেন তারা নিজেরাও ভিডিও-টিডিও করে এটা পাবলিশ করেছেন। মানে আমার কাছে এভাবে বলতে ইচ্ছা করে, যারা এটা করেছেন তাদেরকে একটু ধন্যবাদও দেওয়ার আছে। আওয়ামী লীগ কী বস্তু, আওয়ামী লীগ তারা কারা করেন, আওয়ামী লীগ কী— তারা আমাদের সামনে আবার হাজির করছেন।’
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি, এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা ওই দেশে যা যা নেওয়া— এটার প্রসেস শুরু হয়েছে। আমরা অবশ্যই এটা ছেড়ে দেবো না, এটা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’
হামলার ঘটনাকে বাঁধনের জন্য এক ধরনের প্রাপ্তি হিসেবে বর্ণনা করেন জাহেদ উর রহমান। বলেন, “বাঁধন তার ফেসবুক লাইভে বলছিলেন যে, তো জুলাই যোদ্ধা— তখন উনি বলছিলেন, ‘ইয়েস আই অ্যাম’। একইভাবে আমরা অনেকেই সেরকম আছি, আমরা হামলার শিকার হতে পারি, বাট উই ডোন্ট কেয়ার! একেবারেই না।”
‘এবং এটা কারও ওপর যদি হয়— আমি আজমীরি হক বাঁধনের উদ্দেশে বলব— এটা এক ধরনের কী বলব, তার অর্জন, সম্মান প্রাপ্তি যে আওয়ামী লীগের হেনস্তা হওয়ার শিকার হওয়া, একটা মাফিয়া গ্যাংয়ের শিকার হওয়া প্রমাণ করে আপনি সঠিক পথে ছিলেন,’ যোগ করেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমি প্রায়ই বলতাম শেখ হাসিনা যখনই কথা বলেন— তার এই কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা আছে, কিন্তু যখনই কথা বলেন তিনি আদতে আসলে দেখান এরা কত নোংরা। খেয়াল করব আমরা, রাজনৈতিক দল— আপনি যদি যা যা ঘটিয়েছেন এরপর যদি ন্যূনতম আপনার দুঃখবোধ থাকত, আপনার যদি রাজনীতিতে ফিরে আসার উদ্দেশ্য থাকত, এই সহিংসতাগুলো করা হতো না। কোনোভাবেই হতো না।’
তিনি বলেন, ‘আবার আমরা এটুকুও বলি আওয়ামী লীগের যে কোনো পক্ষ থেকে, আমরা প্রস্তুতও আছি আপনারা একই কাজ করতে পারেন। শেখ হাসিনাকেই কেয়ার করি নাই, আমরা শেখ হাসিনার চৌদ্দ পুরুষসহ পালাতে বাধ্য করেছি, আর সেখানে কিছু মাস্তান একটু পার্কে-টার্কে মাস্তানি করবে— উই ডোন্ট কেয়ার! আমরা, তবে আমরা ছাড়ব না, নিশ্চয়ই ছাড়ব না।’

দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করেন না প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার ভাষায়, আওয়ামী লীগ ‘একটি মাফিয়া গ্যাং’। ইতালিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা করার ঘটনার প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলন করেন জাহেদ উর রহমান। সেখানে ইতালিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তা-লাঞ্ছিত করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন উপদেষ্টা জাহেদ। এ ছাড়া ইতালিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে ‘হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত’ হওয়ার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বাংলাদেশ সময় সোমবার গভীররাতে ভেনিস শহরের মেস্ত্রে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই অভিনেত্রী ফেসবুক লাইভে বলেন, আওয়ামী লীগের একদল কর্মী তাকে গায়ে পানি ও কোক ছুড়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা আমার গায়েও হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে...তারা বলেছে যে, আমি জুলাই যোদ্ধা। ইয়েস, আই অ্যাম। আমি অবশ্যই জুলাইতে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি। তারা বলেছে যে, তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে বলেছে যে, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে। তো এবং তারা সেগুলো ভিডিও করেছে এবং সেগুলো তারা লাইভ করছিল, আপলোড করছিল।”
আজমেরী হক বাঁধনকে লাঞ্ছিত করার প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে কোনো রাজনৈতিক দল মনে করি না। ইটস আ মাফিয়া গ্যাং। এই যে মাফিয়া গ্যাং বলছি, এটার একটা প্রমাণ হচ্ছে, কেউ কেউ তাদেরকে রাজনৈতিক দল বলে, তাদের এক ধরনের অধিকার আছে, রাজনীতি করবে না কেন, এই আলাপ তুলতে আসেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজমেরী হক বাঁধনের ওপর যা হল, আমার মনে হয়— এটা আবার বোঝাল ওদের আদৌ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে কোনোভাবে আমাদের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত হবে কি না।’
তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, ‘আজমেরি হক বাঁধনের উপরে হামলা হয়েছে, আমরা ভিডিও দেখেছি— সেটা উনি না, যারা হামলা করেছেন তারা নিজেরাও ভিডিও-টিডিও করে এটা পাবলিশ করেছেন। মানে আমার কাছে এভাবে বলতে ইচ্ছা করে, যারা এটা করেছেন তাদেরকে একটু ধন্যবাদও দেওয়ার আছে। আওয়ামী লীগ কী বস্তু, আওয়ামী লীগ তারা কারা করেন, আওয়ামী লীগ কী— তারা আমাদের সামনে আবার হাজির করছেন।’
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আপনাকে এটা নিশ্চিত করছি, এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা ওই দেশে যা যা নেওয়া— এটার প্রসেস শুরু হয়েছে। আমরা অবশ্যই এটা ছেড়ে দেবো না, এটা কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’
হামলার ঘটনাকে বাঁধনের জন্য এক ধরনের প্রাপ্তি হিসেবে বর্ণনা করেন জাহেদ উর রহমান। বলেন, “বাঁধন তার ফেসবুক লাইভে বলছিলেন যে, তো জুলাই যোদ্ধা— তখন উনি বলছিলেন, ‘ইয়েস আই অ্যাম’। একইভাবে আমরা অনেকেই সেরকম আছি, আমরা হামলার শিকার হতে পারি, বাট উই ডোন্ট কেয়ার! একেবারেই না।”
‘এবং এটা কারও ওপর যদি হয়— আমি আজমীরি হক বাঁধনের উদ্দেশে বলব— এটা এক ধরনের কী বলব, তার অর্জন, সম্মান প্রাপ্তি যে আওয়ামী লীগের হেনস্তা হওয়ার শিকার হওয়া, একটা মাফিয়া গ্যাংয়ের শিকার হওয়া প্রমাণ করে আপনি সঠিক পথে ছিলেন,’ যোগ করেন তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমি প্রায়ই বলতাম শেখ হাসিনা যখনই কথা বলেন— তার এই কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা আছে, কিন্তু যখনই কথা বলেন তিনি আদতে আসলে দেখান এরা কত নোংরা। খেয়াল করব আমরা, রাজনৈতিক দল— আপনি যদি যা যা ঘটিয়েছেন এরপর যদি ন্যূনতম আপনার দুঃখবোধ থাকত, আপনার যদি রাজনীতিতে ফিরে আসার উদ্দেশ্য থাকত, এই সহিংসতাগুলো করা হতো না। কোনোভাবেই হতো না।’
তিনি বলেন, ‘আবার আমরা এটুকুও বলি আওয়ামী লীগের যে কোনো পক্ষ থেকে, আমরা প্রস্তুতও আছি আপনারা একই কাজ করতে পারেন। শেখ হাসিনাকেই কেয়ার করি নাই, আমরা শেখ হাসিনার চৌদ্দ পুরুষসহ পালাতে বাধ্য করেছি, আর সেখানে কিছু মাস্তান একটু পার্কে-টার্কে মাস্তানি করবে— উই ডোন্ট কেয়ার! আমরা, তবে আমরা ছাড়ব না, নিশ্চয়ই ছাড়ব না।’

দুই দেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের ইচ্ছা একই, তা হলো সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হিসেবে থাকা। আমরা সবসময় বলি, কেবল বর্ডার শেয়ার করি না, শেয়ার করি একই স্বপ্ন। দুটো দেশই স্বাধীন, সার্বভৌম ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’
১ দিন আগে
সাক্ষাতে সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন তিনি। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
১ দিন আগে
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, চ্যালেঞ্জগুলো একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। ঐতিহাসিক ভাবমূর্তি সংকট দলটির আদর্শিক অবস্থানকে অস্পষ্ট করে তুলেছে। সে অস্পষ্টতা তাদের মাঠের রাজনীতিকেই কেবল নয়, জোটগত রাজনীতিকেও কঠিন করেছে। এর সূত্র ধরেই ভাঙনের মুখেও রয়েছে তাদের নেতৃত্বাধীন জোট।
১ দিন আগে
লংমার্চে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ব্যবহার করা গাড়ির ছবির পাশাপাশি মূল মালিকের সঙ্গে গাড়ির ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন রাশেদ। প্রশ্ন তুলেছেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এ ঘটনা আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পদ দখলের নমুনা কি না। এ কারণেই লংমার্চে আওয়ামী লীগবিরোধী কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও যোগসূত্র খো
২ দিন আগে