
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যদি কোনওরকম ব্যত্যয় ঘটে তাহলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন সেটা বিঘ্নিত হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে। পার্শ্ববর্তী একটা দেশ বসেই আছে যেন আমরা ভালো একটি নির্বাচন করে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটাতে না পারি। সেইজন্য আমাদের সজাগ-সতর্ক থাকতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আগামীর নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন কথা বলছে। যার একটি সরকারের সঙ্গে যাদের সব থেকে বেশি সম্পর্ক। সরকারও নির্বাচনের আগেই তাদের পক্ষে কথা বলেছে। সেই দলটি এনসিপি। তারা বলতে পারে তাদের অবস্থানের কথা। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত। স্বচ্ছ স্বাভাবিক গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই জরুরি।
তিনি আরও বলেন, সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই কথা বলা।
দুদু বলেন, বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ বড় কষ্টে আছে। প্রতিদিনই জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের উচিত হচ্ছে তড়িৎ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পায়ে পাশে দাঁড়ানো। যদিও তাদের হাতের সময় এখন কম। তাদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল, পতিত সরকার পারে না এই সরকার পারবে। ১৭-১৮ মাস হয়ে গেল, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিনিসপত্রের দাম শুধু বেড়েছে, কমে নাই। আগামী সরকার আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো পথ আমরা পাচ্ছি না।
তিনি বলেন, একটি জিনিস ভালো নির্বাচনের জন্য আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হতে হবে। কিন্তু সেটিরও লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সেনাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাই মাঠে থাকা অবস্থায় আমার চুয়াডাঙ্গাতেও জীবননগরে একটি ছেলেকে নির্দয় নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হলো। জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যদি কোনওরকম ব্যত্যয় ঘটে তাহলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন সেটা বিঘ্নিত হবে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিঘ্নিত হবে। পার্শ্ববর্তী একটা দেশ বসেই আছে যেন আমরা ভালো একটি নির্বাচন করে গণতন্ত্রে উত্তরণ ঘটাতে না পারি। সেইজন্য আমাদের সজাগ-সতর্ক থাকতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আগামীর নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন কথা বলছে। যার একটি সরকারের সঙ্গে যাদের সব থেকে বেশি সম্পর্ক। সরকারও নির্বাচনের আগেই তাদের পক্ষে কথা বলেছে। সেই দলটি এনসিপি। তারা বলতে পারে তাদের অবস্থানের কথা। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কথা বলছে। আমি তাদের সঙ্গে একমত। স্বচ্ছ স্বাভাবিক গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড খুবই জরুরি।
তিনি আরও বলেন, সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই কথা বলা।
দুদু বলেন, বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ বড় কষ্টে আছে। প্রতিদিনই জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের উচিত হচ্ছে তড়িৎ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পায়ে পাশে দাঁড়ানো। যদিও তাদের হাতের সময় এখন কম। তাদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল, পতিত সরকার পারে না এই সরকার পারবে। ১৭-১৮ মাস হয়ে গেল, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জিনিসপত্রের দাম শুধু বেড়েছে, কমে নাই। আগামী সরকার আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোনো পথ আমরা পাচ্ছি না।
তিনি বলেন, একটি জিনিস ভালো নির্বাচনের জন্য আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হতে হবে। কিন্তু সেটিরও লক্ষণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না। সেনাবাহিনী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবাই মাঠে থাকা অবস্থায় আমার চুয়াডাঙ্গাতেও জীবননগরে একটি ছেলেকে নির্দয় নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হলো। জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন।

পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৬ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
২১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
২১ ঘণ্টা আগে