
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ভোটার, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সমর্থক এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, নির্বাচনের জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের যে ভালোবাসা ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, “নির্বাচন ছিল নানা চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতায় পূর্ণ। তবুও যারা সাহস নিয়ে মাঠে ছিলেন এবং প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বলেন, নির্বাচন ছিল নানা চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতায় পূর্ণ। তবুও সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, দলীয় নেতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও নাগরিক মতবিনিময় কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, “আমাদের এই লড়াই ছিল ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকার, ভোটের মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহস নিয়ে মাঠে ছিলেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রতিবন্ধকতা ছিল, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য উদ্বেগজনক। তবে ভবিষ্যতেও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সবশেষে তিনি দল-মত নির্বিশেষে ঢাকা–১২ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমি নির্বাচিত হই বা না হই, আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক, সাইফুল হকের এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তার রাজনৈতিক সৌজন্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকা-১২ আসনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ভোটার, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সমর্থক এবং দলীয় কর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, নির্বাচনের জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের যে ভালোবাসা ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, “নির্বাচন ছিল নানা চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতায় পূর্ণ। তবুও যারা সাহস নিয়ে মাঠে ছিলেন এবং প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বলেন, নির্বাচন ছিল নানা চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতায় পূর্ণ। তবুও সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, দলীয় নেতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম এবং তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা তার রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় গণসংযোগ, পথসভা, উঠান বৈঠক ও নাগরিক মতবিনিময় কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাইফুল হক বলেন, “আমাদের এই লড়াই ছিল ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকার, ভোটের মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। যারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহস নিয়ে মাঠে ছিলেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রতিবন্ধকতা ছিল, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য উদ্বেগজনক। তবে ভবিষ্যতেও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সবশেষে তিনি দল-মত নির্বিশেষে ঢাকা–১২ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আমি নির্বাচিত হই বা না হই, আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক, সাইফুল হকের এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ তার রাজনৈতিক সৌজন্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে সংগ্রহশালা থেকে অবিলম্বে ছবিটি সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
১ দিন আগে
সম্প্রতি এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ‘ছাগলকাণ্ড’ থেকে শুরু করে প্রায় ৮০ বছর আগে মহাত্মা গান্ধীর ছাগল চুরির ঘটনা— রাজনৈতিক ইতিহাসের নানা অধ্যায়েই জড়িয়ে আছে ‘ছাগল’।
১ দিন আগে
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজত নেতারা ও ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংশোধনের দাবি তুলে ধরা হবে।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
১ দিন আগে