ছাত্রজনতা হত্যার বিচার করতে হবে: মামুনুল হক

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলার মাটিতে ছাত্রজনতা হত্যার বিচার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মামুনুল হক। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের হাজী আসমত সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ভৈরব শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সহস্র প্রাণের বিনিময়ে প্রাণের বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই নতুন বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিস্টের রাজনীতি করার অধিকার নেই। খুনি হাসিনা সরকার দেশ থেকে কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে বাংলাদেশকে একটি তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ হিসেবে রূপান্তরিত করেছে। আমার দেশের যুবকরা তাদের রক্ত পানি করে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বিদেশ থেকে দেশে রেমিটেন্স পাঠায়। সেই রেমিটেন্স হাসিনা সরকার বিদেশে পাচার করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতে বসে হাসিনাসহ আওয়ামী নেতারা বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে ষড়যন্ত্র করছে। তাই তাদেরকে প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানাচ্ছি।’

সভায় ভৈরব-কুলিয়ারচর আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী মনোনীত করা হয়। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে রিকশা মার্কার প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়।

খেলাফত মজলিস ভৈরব উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ আল আমীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, মাওলানা আব্দুল আজিজ, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মহসিন হাসান, সদস্য আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

‘বিএনপি জুলাই সনদের দাবি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’

২ দিন আগে

ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করব— রয়টার্সকে শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’

২ দিন আগে

কোনোভাবেই আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’

৩ দিন আগে

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

৩ দিন আগে