
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরীয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে বৈষম্যমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনপ্রত্যাশার অংশ হিসেবে শরীয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার নিশ্চিতকরণ ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে।
আগামী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
গত শুক্রবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই-এর সভাপতিত্বে দলের নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় শরীয়াহর প্রাধান্য তুলে ধরা হবে। ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’।
এছাড়া আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মান ভিত্তিক বৈদেশিক নীতিও ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ইশতেহার উপস্থাপন করবেন। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট গুণীজন উপস্থিত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরীয়াহকে প্রাধান্য দিয়ে বৈষম্যমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনপ্রত্যাশার অংশ হিসেবে শরীয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকার নিশ্চিতকরণ ইশতেহারে গুরুত্ব পাবে।
আগামী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
গত শুক্রবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই-এর সভাপতিত্বে দলের নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইশতেহারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরোনো বন্দোবস্ত উৎখাত করে নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে নয়া বন্দোবস্ত হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় শরীয়াহর প্রাধান্য তুলে ধরা হবে। ইশতেহারের প্রতিপাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’।
এছাড়া আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মান ভিত্তিক বৈদেশিক নীতিও ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ইশতেহার উপস্থাপন করবেন। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট গুণীজন উপস্থিত থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে