
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শেখ হাসিনার সরকার বিচারের নামে প্রহসন করে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ঠান্ডা মাথায় খুন করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিল খুনির দল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দিশেহারা হয়ে শেখ হাসিনা শুধু ক্ষমতাই ছাড়েনি, ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর ও জেলা শাখার রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন
শেখ হাসিনার সরকার গায়ের জোরে জামায়াতের নিবন্ধন এবং প্রতীক কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৩ বছর আমরা অফিসে বসে কোন কাজ করতে পারিনি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিসসহ সারাদেশের সকল অফিস বন্ধ করেছিল। বুলডোজার দিয়ে আমাদের বাড়ি-ঘর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর আরও বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শেষের দিনগুলো মোটেও সহজ ছিলোনা। তাদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই। দেশের মানুষ আন্দোলনে শামিল হয়েছিল। এই নেতৃত্বের কৃতিত্ব তারুণ্য ও যুবসমাজের। হাজারো প্রানের বিনিময়ে, হাজার হাজার আহতদের আর্তনাদের বিনিময়ে বিজয় এসেছে। যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা জুলুম থেকে মুক্তি পেয়েছি। তাঁরা জাতীয় বীর। সেইসব বীর শহীদদেরকে জামায়াতে ইসলামী দলীয়ভাবে বিবেচনা করেনা।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরও আগাছা-পরগাছা মাথা চাঁড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এদেরকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জাতি একটি ইনসাফপূর্ন সমাজ চায়। গোটা জাতি জামায়াতের দিকে তাকিয়ে আছে। জাতিকে হতাশ করা যাবেনা। সবার ঘরে ঘরে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।
সুধী সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি গোলাম রব্বানী।
আরও বক্তব্য রাখেন বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহিম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জয়পুরহাট জেলার আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, সিরাজগঞ্জ জেলার আমীর মাওলানা শাহীনুর আলম, বগুড়া পশ্চিম জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, পূর্ব জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন বগুড়া শহর শাখার সেক্রেটারি আ,স,ম আব্দুল মালেক, পূর্ব জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মানসুরুর রহমান ও পশ্চিম জেলা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম রাজু। সমাবেশে নবনির্বাচিত বগুড়া শহর শাখার আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল ও বগুড়া জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান আমীরে জামায়াত।

শেখ হাসিনার সরকার বিচারের নামে প্রহসন করে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ঠান্ডা মাথায় খুন করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিল খুনির দল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দিশেহারা হয়ে শেখ হাসিনা শুধু ক্ষমতাই ছাড়েনি, ভয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর ও জেলা শাখার রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন
শেখ হাসিনার সরকার গায়ের জোরে জামায়াতের নিবন্ধন এবং প্রতীক কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৩ বছর আমরা অফিসে বসে কোন কাজ করতে পারিনি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিসসহ সারাদেশের সকল অফিস বন্ধ করেছিল। বুলডোজার দিয়ে আমাদের বাড়ি-ঘর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর আরও বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের শেষের দিনগুলো মোটেও সহজ ছিলোনা। তাদের জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তির আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই। দেশের মানুষ আন্দোলনে শামিল হয়েছিল। এই নেতৃত্বের কৃতিত্ব তারুণ্য ও যুবসমাজের। হাজারো প্রানের বিনিময়ে, হাজার হাজার আহতদের আর্তনাদের বিনিময়ে বিজয় এসেছে। যাদের জীবনের বিনিময়ে আমরা জুলুম থেকে মুক্তি পেয়েছি। তাঁরা জাতীয় বীর। সেইসব বীর শহীদদেরকে জামায়াতে ইসলামী দলীয়ভাবে বিবেচনা করেনা।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরও আগাছা-পরগাছা মাথা চাঁড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এদেরকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জাতি একটি ইনসাফপূর্ন সমাজ চায়। গোটা জাতি জামায়াতের দিকে তাকিয়ে আছে। জাতিকে হতাশ করা যাবেনা। সবার ঘরে ঘরে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।
সুধী সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি গোলাম রব্বানী।
আরও বক্তব্য রাখেন বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহিম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জয়পুরহাট জেলার আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, সিরাজগঞ্জ জেলার আমীর মাওলানা শাহীনুর আলম, বগুড়া পশ্চিম জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, পূর্ব জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন বগুড়া শহর শাখার সেক্রেটারি আ,স,ম আব্দুল মালেক, পূর্ব জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মানসুরুর রহমান ও পশ্চিম জেলা সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম রাজু। সমাবেশে নবনির্বাচিত বগুড়া শহর শাখার আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল ও বগুড়া জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান আমীরে জামায়াত।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে