
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হবে চব্বিশের গণবিপ্লব।’ এই গণবিপ্লবের চেতনাকে পাশ কাটিয়ে কোনো দল যেন ভিন্ন পথে হাঁটতে না পারে সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।'
গাজীপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলার উদ্যোগে সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি আমার এবং সব রাজনৈতিক দলকে সতর্ক করে বলতে চাই, জনগণের চেতনার বিপক্ষে আমরা যেন কেউ না দাঁড়াই।
আমাদের অবশ্যই জনগণের পক্ষে শক্ত করে দাঁড়াতে হবে। জনগণের ন্যায্য দাবি যদি থাকে, সেই দাবিকে পাশ কাটানোর চেষ্টা বা দুঃসাহস আমরা যেন কেউ না দেখাই।’
তিনি আরো বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তারা আমাদের কলিজার টুকরা। তাদের দাবি ছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, অর্থাৎ আমরা সুবিচার চাই। সুবিচার যে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেখানে ডাকাত এবং চোরের কোনো জায়গা নেই। সেখানে সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচারের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে সেখানে ঘুষের রমরমা বাণিজ্য চলবে না।
জাতীয় সংকটে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা বলেছি, দল এবং ধর্ম যার যার, দেশ আমাদের সবার। দেশের মৌলিক স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো বিভাজন এই জাতি কামনা করে না। সংকট এসেছে, সংকট আছে, সংকট থাকবে। সব জাতীয় সংকট ঐক্যবদ্ধভাবে এ জাতি মোকাবেলা করা হবে।’
তিনি বিগত সরকারের নানা অপকর্মের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আগের সরকারের মন্ত্রীরা, এমনকি অর্থমন্ত্রী একসময় বলত, ‘ঘুষকে এখন ঘুষ বলা ঠিক হবে না। এটাকে স্পিড মানি বলতে হবে। তারা ঘুষকে এভাবে জাতীয়করণ করেছিলেন ঘোষণা দিয়ে।’ আরেক মন্ত্রী বলতেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ে ঘুষ খাবেন, কিন্ত একটু কম করে নিয়েন।’
বিচারব্যবস্থা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘একটা নাগরিক যে পর্যায়ের, যে দলের বা ধর্মের হোক তিনি আদালতে গেলে ন্যায়বিচার পাবেন। ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন না। কারো টেলিফোনের কারণে একজন নাগরিকের জীবনে অত্যাচারের স্টিমরোলার না চলে। বিচার প্রার্থীকে ন্যায়বিচারের জন্য এ দুয়ার থেকে সে দুয়ারে ঘুরবে না হয়। বিচার কারো মুখ দেখে কিংবা কারো টেলিফোনে প্রভাবিত হবে না ইনশাআল্লাহ।’
গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ড. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সফি উদ্দিন, জেলা নায়েবে আমির আব্দুল হাকিম ও মাওলানা সেফাউল হক, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, নায়েবে আমির খায়রুল হাসান, সেক্রেটারি আবু সাইদ ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হবে চব্বিশের গণবিপ্লব।’ এই গণবিপ্লবের চেতনাকে পাশ কাটিয়ে কোনো দল যেন ভিন্ন পথে হাঁটতে না পারে সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।'
গাজীপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলার উদ্যোগে সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি আমার এবং সব রাজনৈতিক দলকে সতর্ক করে বলতে চাই, জনগণের চেতনার বিপক্ষে আমরা যেন কেউ না দাঁড়াই।
আমাদের অবশ্যই জনগণের পক্ষে শক্ত করে দাঁড়াতে হবে। জনগণের ন্যায্য দাবি যদি থাকে, সেই দাবিকে পাশ কাটানোর চেষ্টা বা দুঃসাহস আমরা যেন কেউ না দেখাই।’
তিনি আরো বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তারা আমাদের কলিজার টুকরা। তাদের দাবি ছিল, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, অর্থাৎ আমরা সুবিচার চাই। সুবিচার যে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেখানে ডাকাত এবং চোরের কোনো জায়গা নেই। সেখানে সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচারের কোনো সুযোগ নেই। যেখানে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে সেখানে ঘুষের রমরমা বাণিজ্য চলবে না।
জাতীয় সংকটে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমরা বলেছি, দল এবং ধর্ম যার যার, দেশ আমাদের সবার। দেশের মৌলিক স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো বিভাজন এই জাতি কামনা করে না। সংকট এসেছে, সংকট আছে, সংকট থাকবে। সব জাতীয় সংকট ঐক্যবদ্ধভাবে এ জাতি মোকাবেলা করা হবে।’
তিনি বিগত সরকারের নানা অপকর্মের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আগের সরকারের মন্ত্রীরা, এমনকি অর্থমন্ত্রী একসময় বলত, ‘ঘুষকে এখন ঘুষ বলা ঠিক হবে না। এটাকে স্পিড মানি বলতে হবে। তারা ঘুষকে এভাবে জাতীয়করণ করেছিলেন ঘোষণা দিয়ে।’ আরেক মন্ত্রী বলতেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ে ঘুষ খাবেন, কিন্ত একটু কম করে নিয়েন।’
বিচারব্যবস্থা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘একটা নাগরিক যে পর্যায়ের, যে দলের বা ধর্মের হোক তিনি আদালতে গেলে ন্যায়বিচার পাবেন। ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন না। কারো টেলিফোনের কারণে একজন নাগরিকের জীবনে অত্যাচারের স্টিমরোলার না চলে। বিচার প্রার্থীকে ন্যায়বিচারের জন্য এ দুয়ার থেকে সে দুয়ারে ঘুরবে না হয়। বিচার কারো মুখ দেখে কিংবা কারো টেলিফোনে প্রভাবিত হবে না ইনশাআল্লাহ।’
গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ড. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সফি উদ্দিন, জেলা নায়েবে আমির আব্দুল হাকিম ও মাওলানা সেফাউল হক, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আনিসুর রহমান বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, নায়েবে আমির খায়রুল হাসান, সেক্রেটারি আবু সাইদ ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে