
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পক্ষে প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়৷
আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
যেখানে ১০টি ধাপে রয়েছে আইন ও বিচার, সংসদ বিষয়ক সংস্কার, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা সংস্কার (পুলিশ বাহিনী ও র্যাব বিষয়ক সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, দুর্নীতি, সংবিধান সংস্কার, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার, সংস্কৃতি সংস্কার, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার।
জনপ্রশাসন সংস্কার প্রস্তাবে দলটি উল্লেখ করে-
জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।
চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।
চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।
সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।
চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।
এর আগে, অনুষ্ঠানে শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ছাত্রজনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।
সংস্কারের প্রস্তাবনা তুলে ধরে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সংক্ষিপ্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারে দলের পক্ষ থেকে মূল ৪১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।

রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পক্ষে প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়৷
আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
যেখানে ১০টি ধাপে রয়েছে আইন ও বিচার, সংসদ বিষয়ক সংস্কার, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা সংস্কার (পুলিশ বাহিনী ও র্যাব বিষয়ক সংস্কার, জনপ্রশাসন সংস্কার, দুর্নীতি, সংবিধান সংস্কার, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার, সংস্কৃতি সংস্কার, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার।
জনপ্রশাসন সংস্কার প্রস্তাবে দলটি উল্লেখ করে-
জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।
চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।
চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।
সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।
চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।
এর আগে, অনুষ্ঠানে শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ছাত্রজনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।
সংস্কারের প্রস্তাবনা তুলে ধরে আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সংক্ষিপ্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারে দলের পক্ষ থেকে মূল ৪১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
৩ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’
৩ দিন আগে
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
৩ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৪ দিন আগে