
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই ইশতেহারে ৩০টি মৌলিক দফা এবং ১২টি বিশেষ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, 'এই ইশতেহারে রাষ্ট্র গঠনের নীতিগত ও প্রশাসনিক সংস্কার, অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য জরুরি ব্যবস্থা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক সেবা-ই আমাদের মুখ্য অঙ্গিকার হিসেবে ঘোষণা করছি। বাংলাদেশের ৯০% মানুষ মুসলমান। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরীয়াহ-র প্রাধান্য নিশ্চিত করা হবে।'
দলটির ইশতেহারের মৌলিক অংশ
১. দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন
২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
৪. রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহ’র প্রধান্য
৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন
৬. নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা
৭. সার্বজনীন কর্মসংস্থান
৮. পর্যায়ক্রমিক রাষ্ট্রসংস্কার
৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতি দায়বদ্ধতা
১০. আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক স¶মতা বৃদ্ধি
১১. নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সকল জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষা
১২. রাষ্ট্র-সমাজ ও অর্থনীতিতে বৈষম্য বিলোপ
১৩. সকলের জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা
১৪. পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিঘাত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
১৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান
১৬. শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে
১৭. শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা
১৮. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে PR (Proportional Repesentation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন
১৯. মানুষের সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয় করা
২০. দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করণ
২১. খুন, গুম, মিথ্যা, গায়েবি মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের বিলোপ
২২. জনগণের বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
২৩. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়; অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে
২৪. শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান, গ্যাস, বিদুূৎ, পানি, স্যুয়ারেজ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ওয়ানস্টপ সার্ভিস কর্মসূচি গ্রহণ
২৫. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা
২৬. মৎস ও প্রাণী সম্পদখাতে বিদ্যমান সমস্যা দূর করে এইখাতে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও বৈশ্বিক মানের উন্নিত করা হবে
২৭. সড়ককে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা
২৮. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা
২৯. শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা
৩০. সরকারী চাকরিজীবীদের জাতীয় পে-স্কেল যুগোপযোগী এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক করা হবে
১২টি বিশেষ কর্মসূচি
১. হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা।
২. প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন একবেলা পুষ্টিকর খাবার।
৩. ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ।
৪. সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি বা স্বাস্থ্যকার্ড চালু, ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং কৃষিকার্ড প্রবর্তন।
৫. ন্যাশনাল জব পোর্টাল, যেখানে দেশে ও বিদেশে চাকরি খোঁজা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা থাকবে।
৬. কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন।
৭. ঢাকাসহ সকল নগরে সরকার নিয়ন্ত্রিত ও ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক বাস ব্যবস্থাপনা।
৮. সেবাকেন্দ্রিক কর ব্যবস্থা চালু।
৯. সকলের জন্য নির্বিঘ্ন নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ।
১০. নারী পোশাকশ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা।
১১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।
১২. কওমি সনদের স্বীকৃতির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামের পদায়ন।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই ইশতেহারে ৩০টি মৌলিক দফা এবং ১২টি বিশেষ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, 'এই ইশতেহারে রাষ্ট্র গঠনের নীতিগত ও প্রশাসনিক সংস্কার, অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য জরুরি ব্যবস্থা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক সেবা-ই আমাদের মুখ্য অঙ্গিকার হিসেবে ঘোষণা করছি। বাংলাদেশের ৯০% মানুষ মুসলমান। তাই রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বত্র শরীয়াহ-র প্রাধান্য নিশ্চিত করা হবে।'
দলটির ইশতেহারের মৌলিক অংশ
১. দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন
২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
৪. রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহ’র প্রধান্য
৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন
৬. নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা
৭. সার্বজনীন কর্মসংস্থান
৮. পর্যায়ক্রমিক রাষ্ট্রসংস্কার
৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতি দায়বদ্ধতা
১০. আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক স¶মতা বৃদ্ধি
১১. নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সকল জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষা
১২. রাষ্ট্র-সমাজ ও অর্থনীতিতে বৈষম্য বিলোপ
১৩. সকলের জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা
১৪. পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিঘাত ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
১৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান
১৬. শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে
১৭. শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা
১৮. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে PR (Proportional Repesentation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন
১৯. মানুষের সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয় করা
২০. দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করণ
২১. খুন, গুম, মিথ্যা, গায়েবি মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের বিলোপ
২২. জনগণের বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
২৩. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়; অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে
২৪. শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান, গ্যাস, বিদুূৎ, পানি, স্যুয়ারেজ, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ওয়ানস্টপ সার্ভিস কর্মসূচি গ্রহণ
২৫. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা
২৬. মৎস ও প্রাণী সম্পদখাতে বিদ্যমান সমস্যা দূর করে এইখাতে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও বৈশ্বিক মানের উন্নিত করা হবে
২৭. সড়ককে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা
২৮. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা
২৯. শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা
৩০. সরকারী চাকরিজীবীদের জাতীয় পে-স্কেল যুগোপযোগী এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক করা হবে
১২টি বিশেষ কর্মসূচি
১. হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা।
২. প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন একবেলা পুষ্টিকর খাবার।
৩. ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ।
৪. সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি বা স্বাস্থ্যকার্ড চালু, ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং কৃষিকার্ড প্রবর্তন।
৫. ন্যাশনাল জব পোর্টাল, যেখানে দেশে ও বিদেশে চাকরি খোঁজা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা থাকবে।
৬. কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন।
৭. ঢাকাসহ সকল নগরে সরকার নিয়ন্ত্রিত ও ফ্র্যাঞ্চাইজভিত্তিক বাস ব্যবস্থাপনা।
৮. সেবাকেন্দ্রিক কর ব্যবস্থা চালু।
৯. সকলের জন্য নির্বিঘ্ন নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ।
১০. নারী পোশাকশ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা।
১১. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।
১২. কওমি সনদের স্বীকৃতির পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামের পদায়ন।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
৮ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১২ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটি সম্পূর্ণ তার বিষয়। তবে আমরা অধীর আগ্রহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অপেক্ষায় আছি।’
১ দিন আগে