
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নিজেদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চেয়ে আওয়ামী লীগ নানারূপে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন তিনি। রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওে বার্ষিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেন তিনি। বলেন, আওয়ামী লীগের মতো চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী দলের জন্ম বাংলাদেশে আর হয়নি।
জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার সবার আগে দাবি করে ড. শফিকুর বলেন, গেল ১৭ বছর দুঃশাসনকালে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি নির্মমতা দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর।
জামায়াত আমির বলেন, ছাত্রলীগ নামে হাতুড়ি-হেলমেট বাহিনী তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ। ওবায়দুল কাদেররা অহংকার ও অন্যায় নিয়ে গর্ব করতেন। তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। মানুষকে মানুষ মনে করতেন না। আজ উনারা কোথায় গেলেন। তাদের প্রতিটি অপকর্মের ফল পেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধ নয়, আওয়ামী লীগের প্রণীত আইনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী সকল জুলুমের বিচার চায়।
জামায়াতের আমির আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রতিশোধ নেবে না, তবে জুলুমের শিকার প্রতিটি মানুষকে ন্যায়বিচার দেবে। বিপ্লবের পর জামায়াতকর্মীরা চাঁদাবাজি কিংবা দখলবাজি করেনি। বরং মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়তে চান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। ’
ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় রুকন সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ নাসিব হাসান রিয়ানের বাবা মো. গোলাম রাজ্জাক।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুবারক হোসেন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মহানগরী উত্তর শিবিরের সভাপতি আনিসুর রহমান ও পশ্চিমের সভাপতি সালাহ মাহমুদ।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নিজেদের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চেয়ে আওয়ামী লীগ নানারূপে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন তিনি। রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওে বার্ষিক সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেন তিনি। বলেন, আওয়ামী লীগের মতো চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী দলের জন্ম বাংলাদেশে আর হয়নি।
জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার সবার আগে দাবি করে ড. শফিকুর বলেন, গেল ১৭ বছর দুঃশাসনকালে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি নির্মমতা দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর।
জামায়াত আমির বলেন, ছাত্রলীগ নামে হাতুড়ি-হেলমেট বাহিনী তৈরি করেছিল আওয়ামী লীগ। ওবায়দুল কাদেররা অহংকার ও অন্যায় নিয়ে গর্ব করতেন। তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। মানুষকে মানুষ মনে করতেন না। আজ উনারা কোথায় গেলেন। তাদের প্রতিটি অপকর্মের ফল পেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধ নয়, আওয়ামী লীগের প্রণীত আইনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী সকল জুলুমের বিচার চায়।
জামায়াতের আমির আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রতিশোধ নেবে না, তবে জুলুমের শিকার প্রতিটি মানুষকে ন্যায়বিচার দেবে। বিপ্লবের পর জামায়াতকর্মীরা চাঁদাবাজি কিংবা দখলবাজি করেনি। বরং মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সবাইকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়তে চান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। ’
ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় রুকন সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বৈষ্যমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ নাসিব হাসান রিয়ানের বাবা মো. গোলাম রাজ্জাক।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মুবারক হোসেন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মহানগরী উত্তর শিবিরের সভাপতি আনিসুর রহমান ও পশ্চিমের সভাপতি সালাহ মাহমুদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’
২ দিন আগে
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে