
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চে আপিল আবেদন গ্রহণ করেন। সকালে আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক শুনানি করছেন।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের চেম্বার জজ আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে সেটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ধার্য করা হয়। জামায়াতের পক্ষে ওইদিন আইনজীবী ছিলেন মোহাম্মদ শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ হিসেবে খারিজ হওয়া আপিলটি পুনরুজ্জীবিত করতে আবেদন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে করা আপিল গত বছরের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়, কারণ ওইদিন আপিলকারী পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আপিলটি পুনরুজ্জীবিত চেয়ে আবেদন করেছেন, যা ২ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। আদালত শুনানির পর বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ওঠার জন্য নির্ধারিত হয়।
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করার প্রক্রিয়া ২০০৯ সালে শুরু হয়, যখন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি রিট করেন। ২০১৩ সালে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।
এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে। সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপন ১ আগস্ট জারি করা হয়, কিন্তু পরে এ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার।

রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর বাতিল হওয়া নিবন্ধন ফিরে পেতে খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চে আপিল আবেদন গ্রহণ করেন। সকালে আপিল আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক শুনানি করছেন।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের চেম্বার জজ আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে সেটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ধার্য করা হয়। জামায়াতের পক্ষে ওইদিন আইনজীবী ছিলেন মোহাম্মদ শিশির মনির এবং ব্যারিস্টার ইমরান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, ‘ডিসমিস ফর ডিফল্ট’ হিসেবে খারিজ হওয়া আপিলটি পুনরুজ্জীবিত করতে আবেদন করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে করা আপিল গত বছরের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়, কারণ ওইদিন আপিলকারী পক্ষ থেকে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আপিলটি পুনরুজ্জীবিত চেয়ে আবেদন করেছেন, যা ২ সেপ্টেম্বর চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। আদালত শুনানির পর বিষয়টি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ওঠার জন্য নির্ধারিত হয়।
জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করার প্রক্রিয়া ২০০৯ সালে শুরু হয়, যখন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ ব্যক্তি রিট করেন। ২০১৩ সালে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।
এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে। সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপন ১ আগস্ট জারি করা হয়, কিন্তু পরে এ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে