
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর চলমান লড়াই স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
রোববার থেকে শুরু হওয়া চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধের সমর্থনে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চলমান গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইস্যুতে বাংলাদের মানুষ পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বকে আহ্বান জানাতে চাই, বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন, যে নির্বাচনে মানুষ ভোট দেবে, তার ভোটের ভিত্তিতে ফলাফল হবে এবং বিজয়ীদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। এই হচ্ছে জনগণের আকাঙ্ক্ষা, তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না।’
সাকি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ কারো কাছে মাথানত করে না। বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আপনারা যদি মনে করেন, এই দেশে আপনাদের বন্ধুত্ব সু-সম্পর্ক রেখে এই দেশকে আপনাদের মতো কবজা করে রাখবেন বাংলাদেশের মানুষ তা মানবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের এই নেতা আরও বলেন, ‘যদি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে বিকিয়ে দিতে চায়, তা বাংলাদেশের মানুষ মানবে না। সুতরাং গণতান্ত্রিক বিশ্বের প্রতি আমাদের আহ্বান, জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে যাবেন না। এই দেশের মানুষ এই দেশের ভবিষ্যত রাজনীতি নির্ধারণ করবে। কিন্তু আপনারাও অনেকে এ কথা বলছেন, তার আড়ালে যদি অন্য মতলব থাকে, এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার পাঁয়তারা থাকে, জনগণের বুঝতে তা বেশি দেরি হবে না। এবং জনগণের অবস্থান নিতেও দেরি হবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আরো বক্তব্য রাখেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিবুর রহমান বাবলুসহ আরো অনেকে।

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর চলমান লড়াই স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
রোববার থেকে শুরু হওয়া চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধের সমর্থনে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চলমান গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইস্যুতে বাংলাদের মানুষ পৃথিবীর প্রতিটি দেশের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বকে আহ্বান জানাতে চাই, বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন, যে নির্বাচনে মানুষ ভোট দেবে, তার ভোটের ভিত্তিতে ফলাফল হবে এবং বিজয়ীদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। এই হচ্ছে জনগণের আকাঙ্ক্ষা, তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না।’
সাকি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ কারো কাছে মাথানত করে না। বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়িয়ে আপনারা যদি মনে করেন, এই দেশে আপনাদের বন্ধুত্ব সু-সম্পর্ক রেখে এই দেশকে আপনাদের মতো কবজা করে রাখবেন বাংলাদেশের মানুষ তা মানবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের এই নেতা আরও বলেন, ‘যদি আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে বিকিয়ে দিতে চায়, তা বাংলাদেশের মানুষ মানবে না। সুতরাং গণতান্ত্রিক বিশ্বের প্রতি আমাদের আহ্বান, জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে যাবেন না। এই দেশের মানুষ এই দেশের ভবিষ্যত রাজনীতি নির্ধারণ করবে। কিন্তু আপনারাও অনেকে এ কথা বলছেন, তার আড়ালে যদি অন্য মতলব থাকে, এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার পাঁয়তারা থাকে, জনগণের বুঝতে তা বেশি দেরি হবে না। এবং জনগণের অবস্থান নিতেও দেরি হবে না।’
গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আরো বক্তব্য রাখেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিবুর রহমান বাবলুসহ আরো অনেকে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে