
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারকে ‘ফ্যাসিবাদী আচরণ’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে যে নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষ আন্দোলন করেছে, বর্তমান সরকারও সেই একই পথ অনুসরণ করছে। এ ধরনের আচরণ চলতে থাকলে জনগণ সরকারকে ফ্যাসিবাদী বলবেই।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১-দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমানের ভাষ্য, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বর্তমান সরকারের নেতারাও নিপীড়নের শিকার ছিলেন। অথচ ক্ষমতায় এসে তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি করছেন। তিনি বলেন, পাপের পরিণতি একসময় সামনে আসে। সরকারের কর্মকাণ্ডেও সেই পরিণতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি না বদলালে তাদের পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না হলে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতো না। তার দাবি, দেশের পরিস্থিতি আরেকটি বিপ্লবের দিকে এগোচ্ছে। এজন্য তিনি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারেনি। তিনি দাবি করেন, এই রায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য তাদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। তবে কোনো পরিস্থিতিতেই তারা অবস্থান পরিবর্তন করবেন না।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, শিক্ষাঙ্গনে আবারও গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পরে দাম বাড়িয়ে সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে এটি প্রতারণা এবং ফ্যাসিবাদী চর্চারই অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, অতীতে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করেছে, তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে তিনি এ অভিযোগের স্বীকারোক্তি বলেও দাবি করেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন নেতারা বক্তব্য দেন।

সরকারকে ‘ফ্যাসিবাদী আচরণ’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে যে নিপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষ আন্দোলন করেছে, বর্তমান সরকারও সেই একই পথ অনুসরণ করছে। এ ধরনের আচরণ চলতে থাকলে জনগণ সরকারকে ফ্যাসিবাদী বলবেই।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ ফটকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১-দলীয় জোট আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমানের ভাষ্য, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বর্তমান সরকারের নেতারাও নিপীড়নের শিকার ছিলেন। অথচ ক্ষমতায় এসে তারা একই ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি করছেন। তিনি বলেন, পাপের পরিণতি একসময় সামনে আসে। সরকারের কর্মকাণ্ডেও সেই পরিণতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি না বদলালে তাদের পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রতি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না হলে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতো না। তার দাবি, দেশের পরিস্থিতি আরেকটি বিপ্লবের দিকে এগোচ্ছে। এজন্য তিনি দেশবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, বিপুল সংখ্যক মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারেনি। তিনি দাবি করেন, এই রায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য তাদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে। তবে কোনো পরিস্থিতিতেই তারা অবস্থান পরিবর্তন করবেন না।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, শিক্ষাঙ্গনে আবারও গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি। তার অভিযোগ, আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পরে দাম বাড়িয়ে সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে এটি প্রতারণা এবং ফ্যাসিবাদী চর্চারই অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শফিকুর রহমান বলেন, অতীতে যারা রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করেছে, তাদের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে তিনি এ অভিযোগের স্বীকারোক্তি বলেও দাবি করেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন নেতারা বক্তব্য দেন।

রোববারের বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে ঘিরে ধরেছিলেন সাংবাদিকরা। তারা বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে জানতে চান মন্ত্রীর কাছে। তবে খলিলুর রহমান বৈঠকের আলোচনা নিয়ে কিছু বলেননি। তিনিও কেবল জানিয়েছেন, সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। ওই বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমে ব
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সময় দেশ গড়ার, এখন সময় জাতির ভাগ্য গঠনের। কাজেই আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমাদের দেশকে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
২১ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
বৈঠক শেষে দলের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সর্বসম্মতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই লক্ষ্যে রোববার ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। এই বৈঠকেই বিরোধী দলের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে