
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রায় ৮০ ভাগ সময় ইতিহাস চর্চা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এতটুকু বলব, অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো, ইতিহাস শিক্ষা ভালো। কিন্তু ইতিহাসকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা নিজেরা ইতিহাস তৈরি করতে পারব না। ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে আসুন আমরা এগিয়ে যাই।’
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রায় ৪৩ মিনিট সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শফিকুর রহমান বলেন, “অনেকে বলার চেষ্টা করেন আমরা সংবিধান মানি না। সংবিধান না মানলে এখানে এলাম কীভাবে। আমরা আইন মান্যকারী নাগরিক। সংবিধান পছন্দ না হলে আন্দোলন করতে পারি; বিদ্রোহ করব না। অনেকে বাহাত্তরের সংবিধানের প্রতি সম্মান দেখান, আমি এটা পারি না। কারণ, এই সংবিধানকে পরিবর্তন করে গেছেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাহলে কীভাবে বাহাত্তরের সংবিধান মানি?”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “ক্ষমতায় যখন থাকেন, তখন নিজেকে সবাই ফেরেশতা মনে করেন। অন্যদের দোষ দেখেন। অন্যের দোষের তালিকা তৈরি করা খুব সহজ। ১২ মার্চ থেকে সরকারি দলের বক্তব্যের ৮০ ভাগ হচ্ছে ইতিহাসচর্চা। ১৯৪৭ সালকে আমি সম্মান করি। কারণ, সেই সময়েই এই সীমানা, ভূখণ্ড পেয়েছিলাম।”
শফিকুর রহমান বলেন, “ইতিহাস নিয়ে ‘কোপাকুপির’ পর সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা এসে বলেন, ‘আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো। ইতিহাস শিক্ষা ভালো, কিন্তু ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না। তাহলে ইতিহাস তৈরি করতে পারব না।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, “ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বলা হয়, এমন কিছু করবেন না, যাতে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে। কিন্তু নির্বাচনের আগে ট্রেজারি বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেছিলেন, তোমাদের জন্য দুয়ার খোলা। সব মামলা তুলে নেওয়া হবে। সেই সমঝোতা কি এখনো আছে?”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ের সব অপরাধের বিচার হতে হবে। ওসমান হাদির হত্যার বিচার পর্যন্ত তা আসতে হবে। যে গুম, খুন, ধর্ষণ হয়েছে, তার বিচার হতে হবে। নইলে তাদের আত্মার অভিশাপ নিতে হবে এই সংসদকে। আমরা এখানে বিরোধী দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে আসিনি। মানুষের প্রতিনিধিত্ব করি।”
শফিকুর রহমানের বক্তৃতার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তৃতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ছবি দিয়ে মিথ্যা প্রচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। বিরোধী দলীয় নেতা এই অপপ্রচারের শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে নিয়ে যারা অশ্লীলতা করেছে, তাদের বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রী বিচার না চাইলেও আমি বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে আমাদেরও মেয়ে। দোষারোপের রাজনীতি করতে চাই না, নির্মোহভাবে দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা হোক।”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “সারা দেশে সীমাহীন চাঁদাবাজি চলছে। আধিপত্য বিস্তারের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে অনেক মানুষ মারা গেছেন। যে সরকারই ক্ষমতায় আসে, তারা বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো। কিন্তু ‘আগের চেয়ে ভালো’ যে কী, তা বুঝি না। যেসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা নাজুক, সেখানে যেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নজর দেন। শিক্ষাঙ্গনে আর সন্ত্রাস চাই না। যে দলেরই হোক, কেউ কোপের বা গুলি শিকার না হোক।”
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত ঠিক করতে হবে। শিক্ষা খাতে গবেষণা থাকতে হবে। কিন্তু গবেষণার নামে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা ফকিরের ভিক্ষা। তবে কৃষি খাতে গবেষকেরা ভালো করেছেন। তাঁদের কৃতিত্ব স্বীকার করতে হবে। আগামী বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব যেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে দেওয়া হয়।”
এ ছাড়া সরকারি চাকরির বদলি–পদায়নে দলীয়করণের অভিযোগ করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মেধাভিত্তিক সমাজ হবে। কিন্তু দল থেকে পদ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি ও বিরোধী দলের ঐক্য কাজ করে বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রায় ৮০ ভাগ সময় ইতিহাস চর্চা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি শুধু এতটুকু বলব, অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো, ইতিহাস শিক্ষা ভালো। কিন্তু ইতিহাসকে নিয়ে পড়ে থাকলে আমরা নিজেরা ইতিহাস তৈরি করতে পারব না। ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় রেখে আসুন আমরা এগিয়ে যাই।’
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রায় ৪৩ মিনিট সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শফিকুর রহমান বলেন, “অনেকে বলার চেষ্টা করেন আমরা সংবিধান মানি না। সংবিধান না মানলে এখানে এলাম কীভাবে। আমরা আইন মান্যকারী নাগরিক। সংবিধান পছন্দ না হলে আন্দোলন করতে পারি; বিদ্রোহ করব না। অনেকে বাহাত্তরের সংবিধানের প্রতি সম্মান দেখান, আমি এটা পারি না। কারণ, এই সংবিধানকে পরিবর্তন করে গেছেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাহলে কীভাবে বাহাত্তরের সংবিধান মানি?”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “ক্ষমতায় যখন থাকেন, তখন নিজেকে সবাই ফেরেশতা মনে করেন। অন্যদের দোষ দেখেন। অন্যের দোষের তালিকা তৈরি করা খুব সহজ। ১২ মার্চ থেকে সরকারি দলের বক্তব্যের ৮০ ভাগ হচ্ছে ইতিহাসচর্চা। ১৯৪৭ সালকে আমি সম্মান করি। কারণ, সেই সময়েই এই সীমানা, ভূখণ্ড পেয়েছিলাম।”
শফিকুর রহমান বলেন, “ইতিহাস নিয়ে ‘কোপাকুপির’ পর সরকারি দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা এসে বলেন, ‘আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। অতীতকে স্মরণ রাখা ভালো। ইতিহাস শিক্ষা ভালো, কিন্তু ইতিহাস নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না। তাহলে ইতিহাস তৈরি করতে পারব না।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, “ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে বলা হয়, এমন কিছু করবেন না, যাতে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে। কিন্তু নির্বাচনের আগে ট্রেজারি বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেছিলেন, তোমাদের জন্য দুয়ার খোলা। সব মামলা তুলে নেওয়া হবে। সেই সমঝোতা কি এখনো আছে?”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ের সব অপরাধের বিচার হতে হবে। ওসমান হাদির হত্যার বিচার পর্যন্ত তা আসতে হবে। যে গুম, খুন, ধর্ষণ হয়েছে, তার বিচার হতে হবে। নইলে তাদের আত্মার অভিশাপ নিতে হবে এই সংসদকে। আমরা এখানে বিরোধী দলকে প্রতিনিধিত্ব করতে আসিনি। মানুষের প্রতিনিধিত্ব করি।”
শফিকুর রহমানের বক্তৃতার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তৃতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ছবি দিয়ে মিথ্যা প্রচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। বিরোধী দলীয় নেতা এই অপপ্রচারের শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে নিয়ে যারা অশ্লীলতা করেছে, তাদের বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রী বিচার না চাইলেও আমি বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে আমাদেরও মেয়ে। দোষারোপের রাজনীতি করতে চাই না, নির্মোহভাবে দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা হোক।”
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “সারা দেশে সীমাহীন চাঁদাবাজি চলছে। আধিপত্য বিস্তারের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে অনেক মানুষ মারা গেছেন। যে সরকারই ক্ষমতায় আসে, তারা বলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো। কিন্তু ‘আগের চেয়ে ভালো’ যে কী, তা বুঝি না। যেসব জায়গায় আইনশৃঙ্খলা নাজুক, সেখানে যেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নজর দেন। শিক্ষাঙ্গনে আর সন্ত্রাস চাই না। যে দলেরই হোক, কেউ কোপের বা গুলি শিকার না হোক।”
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত ঠিক করতে হবে। শিক্ষা খাতে গবেষণা থাকতে হবে। কিন্তু গবেষণার নামে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা ফকিরের ভিক্ষা। তবে কৃষি খাতে গবেষকেরা ভালো করেছেন। তাঁদের কৃতিত্ব স্বীকার করতে হবে। আগামী বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব যেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে দেওয়া হয়।”
এ ছাড়া সরকারি চাকরির বদলি–পদায়নে দলীয়করণের অভিযোগ করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মেধাভিত্তিক সমাজ হবে। কিন্তু দল থেকে পদ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি ও বিরোধী দলের ঐক্য কাজ করে বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১২ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১৪ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১৯ ঘণ্টা আগে