
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, তাঁর পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি। আজ রোববার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তাহের বলেন, ‘আমি কিন্তু একজন এমপি না, আমি কিন্তু প্রতিমন্ত্রী। অফিসিয়ালি আমি প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী হলেও পার্লামেন্টের লিডার অব দ্য অপোজিশন, আর রিপোর্টিং অব দ্য অপোজিশন মন্ত্রীদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পার্লামেন্টে দেখবেন আমি সেখানে প্রত্যেকদিন দুইবার কথা বলব। আর মন্ত্রীরা মাসে একবার কথা বলবে।’
ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ভোট পেয়েছি মাত্র ১০ শতাংশ কম। এরাউন্ড ৪০ শতাংশ ভোট আমাদের জোটের ভেতরে, কিন্তু সিট বাড়তি খরচ হয়েছে। জনমত প্রতিফলিত হয় ভোটের মাধ্যমে, সিটের মাধ্যমে না। ভোটের মাধ্যমে জামায়াত খুব কাছাকাছি সরকারি দলের। জামায়াতে ইসলামী যে পরিমাণ ভোট পেয়েছে এবার, সেই ভোট পেয়ে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষমান দল হলো জামায়াতে ইসলামী।’
তাহের আরও বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসাবে আমার স্টাটাস হলো প্রতিমন্ত্রী। আমার গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকে, পতাকা তো মন্ত্রীরাই পায়। সঠিক ভোট হলে আমার সিনিয়র মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিল।
তাহের প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সবে সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, টিকবে কি না?’ ডাক্তার তাহেরের এমন প্রশ্নে দর্শক সারিতে নেতা-কর্মীরা বলেন, টিকবে না। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু কিছু বলি নাই। আমরা চাই তারা (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকুক। তারা ক্ষমতায় থাকলে এলাকার বরাদ্দ আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।’
ডা. তাহের আরও বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবার। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর কোন স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের ছয় মাস সময় দিচ্ছি আপনারা অন্য কোনো ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বোঝা যাবে আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারির সংখ্যা বেশি না ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কি না? বের হলে সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। তাদের আর ছাড় নয়।’
রাজনীতি/একে

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, তাঁর পদমর্যাদা মন্ত্রীদের চেয়েও বেশি। আজ রোববার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তাহের বলেন, ‘আমি কিন্তু একজন এমপি না, আমি কিন্তু প্রতিমন্ত্রী। অফিসিয়ালি আমি প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী হলেও পার্লামেন্টের লিডার অব দ্য অপোজিশন, আর রিপোর্টিং অব দ্য অপোজিশন মন্ত্রীদের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পার্লামেন্টে দেখবেন আমি সেখানে প্রত্যেকদিন দুইবার কথা বলব। আর মন্ত্রীরা মাসে একবার কথা বলবে।’
ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ভোট পেয়েছি মাত্র ১০ শতাংশ কম। এরাউন্ড ৪০ শতাংশ ভোট আমাদের জোটের ভেতরে, কিন্তু সিট বাড়তি খরচ হয়েছে। জনমত প্রতিফলিত হয় ভোটের মাধ্যমে, সিটের মাধ্যমে না। ভোটের মাধ্যমে জামায়াত খুব কাছাকাছি সরকারি দলের। জামায়াতে ইসলামী যে পরিমাণ ভোট পেয়েছে এবার, সেই ভোট পেয়ে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। পরবর্তীতে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষমান দল হলো জামায়াতে ইসলামী।’
তাহের আরও বলেন, বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসাবে আমার স্টাটাস হলো প্রতিমন্ত্রী। আমার গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকে, পতাকা তো মন্ত্রীরাই পায়। সঠিক ভোট হলে আমার সিনিয়র মন্ত্রী হওয়ার কথা ছিল।
তাহের প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘সবে সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, টিকবে কি না?’ ডাক্তার তাহেরের এমন প্রশ্নে দর্শক সারিতে নেতা-কর্মীরা বলেন, টিকবে না। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কিন্তু কিছু বলি নাই। আমরা চাই তারা (বিএনপি) ক্ষমতায় থাকুক। তারা ক্ষমতায় থাকলে এলাকার বরাদ্দ আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।’
ডা. তাহের আরও বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবার। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর কোন স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের ছয় মাস সময় দিচ্ছি আপনারা অন্য কোনো ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বোঝা যাবে আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারির সংখ্যা বেশি না ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কি না? বের হলে সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। তাদের আর ছাড় নয়।’
রাজনীতি/একে

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে