
চট্টগ্রাম ব্যুরো

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় জনগণের প্রতি ধানের শীষে আস্থা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি প্রত্যাশিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। একইসাথে ভোটারদের অধিকার রক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র রুখতে ভোটের দিন ভোর থেকেই ভোটকেন্দ্র পাহারায় সজাগ থাকতে হবে।
জনসভায় তারেক রহমান নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ভোটের দিন সবাই যেন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই কেন্দ্রের সামনে উপস্থিত হন এবং সেখানেই জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে সারিবদ্ধভাবে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আবার এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন এমন একটি অর্থবহ পরিবর্তন চায়, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক উন্নত শিক্ষা ও সুচিকিৎসার সুনিশ্চিত সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।
তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় জনগণের প্রতি ধানের শীষে আস্থা রাখার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি প্রত্যাশিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। একইসাথে ভোটারদের অধিকার রক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র রুখতে ভোটের দিন ভোর থেকেই ভোটকেন্দ্র পাহারায় সজাগ থাকতে হবে।
জনসভায় তারেক রহমান নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে বলেন, ভোটের দিন সবাই যেন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই কেন্দ্রের সামনে উপস্থিত হন এবং সেখানেই জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে সারিবদ্ধভাবে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আবার এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন এমন একটি অর্থবহ পরিবর্তন চায়, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক উন্নত শিক্ষা ও সুচিকিৎসার সুনিশ্চিত সুযোগ পাবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।
তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের ঘোষণাও দেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি অ্যাপস চালু করছি। একটির মাধ্যমে চাঁদাবাজদের গোপনে চিহ্নিত করা যাবে এবং অন্যটির মাধ্যমে জনগণ সরাসরি সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নির্বাচিত হলে প্রতি ছয় মাসে জনপ্রতিনিধিদের জনগণের সঙ্গে মুখোমুখি হতে হবে এবং স
৩ ঘণ্টা আগে
ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাকেই ভোট দিন বিবেচনা করে দিবেন। কারণ এবারের ভোট বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীতে জনরায়ে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে এবং অপরাধী নিজ দলের হলেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়।
৪ ঘণ্টা আগে