
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে হত্যা ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (২৪ মে) এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানান দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে বলা হয়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণ ও সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন নাগরিকের প্রাণহানি জাতির জন্য খুবই মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। এছাড়া নাগরিকদের কুপিয়ে হত্যা চরম বর্বরতা। বিস্ফোরণে নাগরিকদের হতাহতে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করছি এবং কুপিয়ে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গণমাধ্যমের খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আজ রোববার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন চাকমা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুরের নগরকান্দায় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সিএনজি-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক স্থানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
জামায়াত নেতা বলেন, এসব মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ড পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও নিহতদের উত্তম মর্যাদা কামনা করছি। একইসঙ্গে হতাহতের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে সড়ক-মহাসড়ক ও জনপদ—কোথাও নাগরিকরা নিরাপদ বোধ করছেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দুর্ঘটনা ও সহিংসতায় প্রতিনিয়ত প্রাণহানি ঘটছে। এসব ঘটনার দায় সরকার এড়াতে পারে না।
জামায়াতের এই নেতা কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণসহ সকল অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আহ্বান জানান।
তিনি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
রাজনীতি/এসআই

দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে হত্যা ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (২৪ মে) এক বিবৃতিতে উদ্বেগ জানান দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে বলা হয়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণ ও সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন নাগরিকের প্রাণহানি জাতির জন্য খুবই মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। এছাড়া নাগরিকদের কুপিয়ে হত্যা চরম বর্বরতা। বিস্ফোরণে নাগরিকদের হতাহতে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করছি এবং কুপিয়ে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গণমাধ্যমের খবরের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আজ রোববার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন চাকমা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুরের নগরকান্দায় যাত্রীবাহী বিআরটিসি বাসের সঙ্গে একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজনের মৃত্যু এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সিএনজি-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পৃথক স্থানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
জামায়াত নেতা বলেন, এসব মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ড পরিবারগুলোর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও নিহতদের উত্তম মর্যাদা কামনা করছি। একইসঙ্গে হতাহতের পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট জুবায়ের বলেন, দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে সড়ক-মহাসড়ক ও জনপদ—কোথাও নাগরিকরা নিরাপদ বোধ করছেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দুর্ঘটনা ও সহিংসতায় প্রতিনিয়ত প্রাণহানি ঘটছে। এসব ঘটনার দায় সরকার এড়াতে পারে না।
জামায়াতের এই নেতা কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণসহ সকল অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের আহ্বান জানান।
তিনি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
রাজনীতি/এসআই

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে