
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

১৭ বছর লন্ডনে কাটিয়ে দেশে ফিরতে উন্মুখ হয়ে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। দেশে ফেরার প্রাক্কালে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার একটি স্মৃতি, যেটি তার কাছে সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি।
জাইমা রহমান বলেছেন, সেই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছে পাওয়া নেতৃত্বের শিক্ষা। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও জানিয়েছেন, শেকড়কে কখনো ভুলে যাননি। নিজের আবেগ-অনুভূতি তুলে ধরে লিখেছেন— দেশে ফিরে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার পাশে থাকতে চান, সর্বাত্মক সহায়তা করতে চান বাবা তারেক রহমানকে, দায়িত্বশীল একজন নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কাজ করতে চান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল সোয়া ১০টার দিকে এই ফেসবুক পোস্ট দেন জাইমা রহমান। আগামী বৃহস্পতিবার পরিবারের সঙ্গে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার।
খালেদা জিয়াকে ‘দাদু’ ডাকেন জাইমা রহমান। তার শৈশবে খালেদা জিয়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশকে সামলানোর দায়িত্ব কাঁধে থাকলেও তিনি পরিবারকে আগলে রাখতেন বলেই স্মৃতিচারণ করেছেন জাইমা।
প্রিয় স্মৃতির কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, ‘আমার বয়স তখন ১১। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি, তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম। স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ দিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।’
“আমি সবসময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সবসময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন। আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন।’
খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই স্মৃতি থেকেই জাইমা নেতৃত্বের শিক্ষা পেয়েছেন উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো— নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।’
১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও শেকড়কে ভুলে যাননি উল্লেখ করে জাইমা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে কাটানো ১৭টা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শেকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ, সেটিই আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে, যদিও আমার হৃদয়-মন সবসময় বাংলাদেশেই ছিল।’
নিজের শিক্ষা আর পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক ও আইনি সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে।’

‘প্রতিটি ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তার পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।’
খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের আদর্শ অনুসরণের কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, “আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সবসময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।’
দেশে ফিরে দেশের জন্য ভূমিকা রাখতে চাওয়ার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন তারেক রহমান তনয়া জাইমা। লিখেছেন, ‘অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই।’
‘নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারও সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক,’— লিখেছেন জাইমা।

জিয়া পরিবার নিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশার অনুভব করেন বলেই জানিয়েছেন পরিবারটির তৃতীয় প্রজন্মের এই সদস্য। লিখেছেন, ‘আমি জানি, আমার পরিবার ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।’
‘সংক্ষেপে, আমার নিজের ভাষায় এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি,’— এভাবেই নিজের স্মৃতিকারতা প্রকাশ করেছেন জাইমা রহমান।
তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের এই পোস্ট স্বাভাবিকভাবেই অনলাইনে সাড়া ফেলেছে। দুপুর ২টা নাগাদ পোস্টটিতে রিয়্যাকশন পড়েছে ২৮ হাজার। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে পাঁচ হাজার ৮০০ বার। কমেন্ট পড়েছে প্রায় চার হাজার।
বিএনপির নেতাকর্মীরা সে পোস্টের নিচে জাইমাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশে, তার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। জাইমা রহমান যেভাবে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছ থেকে নেতৃত্ব শেখার পাশাপাশি বাবাকে সহায়তা করা আর দেশের জন্য নিজের সর্বোচ্চ উজার করে দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন, তাতে এই পোস্ট দেশের রাজনীতিতে তার আগমনী বার্তা কি না, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।

১৭ বছর লন্ডনে কাটিয়ে দেশে ফিরতে উন্মুখ হয়ে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নাতনি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। দেশে ফেরার প্রাক্কালে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার একটি স্মৃতি, যেটি তার কাছে সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি।
জাইমা রহমান বলেছেন, সেই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছে পাওয়া নেতৃত্বের শিক্ষা। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও জানিয়েছেন, শেকড়কে কখনো ভুলে যাননি। নিজের আবেগ-অনুভূতি তুলে ধরে লিখেছেন— দেশে ফিরে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার পাশে থাকতে চান, সর্বাত্মক সহায়তা করতে চান বাবা তারেক রহমানকে, দায়িত্বশীল একজন নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কাজ করতে চান।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল সোয়া ১০টার দিকে এই ফেসবুক পোস্ট দেন জাইমা রহমান। আগামী বৃহস্পতিবার পরিবারের সঙ্গে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার।
খালেদা জিয়াকে ‘দাদু’ ডাকেন জাইমা রহমান। তার শৈশবে খালেদা জিয়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশকে সামলানোর দায়িত্ব কাঁধে থাকলেও তিনি পরিবারকে আগলে রাখতেন বলেই স্মৃতিচারণ করেছেন জাইমা।
প্রিয় স্মৃতির কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, ‘আমার বয়স তখন ১১। আমাদের স্কুলের ফুটবল টিম একটা টুর্নামেন্ট জিতেছিল, আর আমি মেডেল পেয়েছিলাম। আম্মু আমাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে গিয়েছিলেন, আমি যেন নিজেই দাদুকে আমার বিজয়ের গল্পটা বলতে পারি, তাকে আমার বিজয়ের মেডেলটা দেখাতে পারি। আমি খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে গোলকিপার হিসেবে কী কী করেছি, সেটা বলছিলাম। স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, দাদু প্রচণ্ড মনোযোগ দিয়ে আমাকে শুনছেন। তিনি এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে পরে সেই গল্পটা তিনি অন্যদের কাছেও বলতেন।’
“আমি সবসময়ই জানতাম, আমার দাদুর কাঁধে একটা দেশের দায়িত্ব। তবুও আমার স্মৃতিতে দাদু হলেন পরিবারকে আগলে রাখা একজন মমতাময়ী অভিভাবক। লাখো মানুষের কাছে তিনি ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার আর আমার কাজিনদের কাছে তিনি ছিলেন ‘দাদু’। আমাদের ‘দাদু’। তিনি সবসময় আমাদের খেয়াল রাখতেন, আমাদের জন্য সময় বের করতেন। আর যেসব মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সেগুলোতে আমাদের সাহস দিতেন, উজ্জীবিত করতেন।’
খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই স্মৃতি থেকেই জাইমা নেতৃত্বের শিক্ষা পেয়েছেন উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো থেকেই আমি নেতৃত্বের প্রথম শিক্ষা পাই। সেটি হলো— নম্রতা, আন্তরিকতা আর মন দিয়ে শোনার মানসিকতা।’
১৭ বছর দেশের বাইরে থাকলেও শেকড়কে ভুলে যাননি উল্লেখ করে জাইমা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের বাইরে কাটানো ১৭টা বছর আমার জীবন অনেকভাবে বদলে দিয়েছে। কিন্তু আমি কখনোই আমার শেকড় ভুলে যাইনি। কারণ, আমাদের সত্তার যে ভিত্তি, আমাদের যে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ, সেটিই আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে, পরিচয় বহন করে। প্রবাসে থাকা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও নিজ দেশের বাইরে, ভিন্ন দেশে অনেকগুলো বছর কাটিয়েছি। লন্ডনের দিনগুলো আমাকে বাস্তববাদী করেছে, বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে, যদিও আমার হৃদয়-মন সবসময় বাংলাদেশেই ছিল।’
নিজের শিক্ষা আর পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমাকে শৃঙ্খলা ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান শিখিয়েছে। তবে মানুষের সঙ্গে কাজ করা আমাকে শিখিয়েছে আরও অনেক বেশি; শিখিয়েছে দায়িত্বশীল হতে, বিপদগ্রস্তের পাশে দাঁড়াতে। আইন পেশায় কাজ করার সময় কাছ থেকে দেখা মানুষগুলোর গল্প, আর সেই গল্পগুলোর যৌক্তিক ও আইনি সমাধান খোঁজার দায়িত্ব আমাকে আলোড়িত করে।’

‘প্রতিটি ক্লায়েন্ট, প্রতিটি মামলা, প্রতিটি মানুষের সমস্যা কারও না কারও জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। যারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অবহেলার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই বিশ্বাস দিতে হয় যে তাদের বিষয়টি দেখা হচ্ছে, শোনা হচ্ছে, সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কারও জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনে তার পাশে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা যে শিক্ষাটা দেয়, সেটা কোনো ক্লাসরুম দিতে পারে না। এই প্রতিটা ধাপ আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে, মানুষ হিসেবে কেমন হতে চাই।’
খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের আদর্শ অনুসরণের কথা তুলে ধরে জাইমা লিখেছেন, “আমি আমার ‘দাদা’কে কখনো দেখিনি। কিন্তু তার সততা আর দেশপ্রেমের কথা সবসময় শুনে এসেছি। ‘দাদু’ আর ‘আব্বু’ সেই আদর্শটাই বয়ে নিয়ে চলেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় এবং ৫ আগস্টের আগে-পরের সময়টাতে আমি যতটুকু পেরেছি, নেপথ্যে থেকে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ সময় বলেছি কম, বরং শুনেছি বেশি। ছোট-ছোট কাজের মাধ্যমে তাদের বোঝা একটু হালকা করার চেষ্টা করেছি।’
দেশে ফিরে দেশের জন্য ভূমিকা রাখতে চাওয়ার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন তারেক রহমান তনয়া জাইমা। লিখেছেন, ‘অনেকগুলো বছর পর দেশে ফিরছি। দেশে ফেরা মানে আবেগ আর অনুভূতির এক অনন্য সংমিশ্রণ। দেশে ফিরে ইনশাআল্লাহ আমি ‘দাদু’র পাশে থাকতে চাই। এই সময়টাতে আব্বুকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে চাই। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য সর্বস্ব দিয়ে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চাই।’
‘নিজের চোখে, নিজের অভিজ্ঞতায় প্রিয় বাংলাদেশকে নতুন করে জানতে চাই; মানুষের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই। যেভাবে এগুনো দরকার, আমি চাই বাংলাদেশ আবারও সেভাবে সামনে এগিয়ে যাক, গর্জে উঠুক,’— লিখেছেন জাইমা।

জিয়া পরিবার নিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশার অনুভব করেন বলেই জানিয়েছেন পরিবারটির তৃতীয় প্রজন্মের এই সদস্য। লিখেছেন, ‘আমি জানি, আমার পরিবার ঘিরে দেশের জনগণের কৌতূহল রয়েছে, প্রত্যাশা রয়েছে। সেটি কখনো আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়ভারও রয়েছে। জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণের চাপ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে অনুভব করি; পরিবারে, বন্ধুত্বে, সমাজে।’
‘সংক্ষেপে, আমার নিজের ভাষায় এই হলো আমার গল্প। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটা নিজস্ব গল্প আছে। এই গল্পগুলোকে ধারণ করে আমরা সবাই হয়তো একসঙ্গে বাকি পথটা হাঁটতে পারি,’— এভাবেই নিজের স্মৃতিকারতা প্রকাশ করেছেন জাইমা রহমান।
তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের এই পোস্ট স্বাভাবিকভাবেই অনলাইনে সাড়া ফেলেছে। দুপুর ২টা নাগাদ পোস্টটিতে রিয়্যাকশন পড়েছে ২৮ হাজার। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে পাঁচ হাজার ৮০০ বার। কমেন্ট পড়েছে প্রায় চার হাজার।
বিএনপির নেতাকর্মীরা সে পোস্টের নিচে জাইমাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশে, তার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। জাইমা রহমান যেভাবে ‘দাদু’ খালেদা জিয়ার কাছ থেকে নেতৃত্ব শেখার পাশাপাশি বাবাকে সহায়তা করা আর দেশের জন্য নিজের সর্বোচ্চ উজার করে দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন, তাতে এই পোস্ট দেশের রাজনীতিতে তার আগমনী বার্তা কি না, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। আস্তে আস্তে কথা বলতে পারছেন তিনি। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
৩ দিন আগে
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৬ মার্চ ভোর ৫টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের পক্ষ থেকেও জানানো হবে শ্রদ্ধা। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ও সারা দেশের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করা হবে।
৪ দিন আগে
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মাধ্যমে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
৫ দিন আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
৭ দিন আগে