
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। রাজধানীর সুপ্রিম কোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিতব্য এই জামাতে তিনিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। ঈদের নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। তবে ঈদের পরপরই তারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরানীগঞ্জে নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজারে এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে ঈদ উদযাপন করবেন।
তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান অসুস্থতার কারণে বর্তমানে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় দেশে ঈদ করতে পারছেন না।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকায় অবস্থান করবেন। অন্যদিকে বরকতউল্লা বুলু নোয়াখালীতে, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বরিশালে এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন।
যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে খায়রুল কবির খোকন নরসিংদীতে, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুরে, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহে এবং আবদুস সালাম আজাদ মুন্সিগঞ্জে ঈদ করবেন।
দলীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঈদের দিন সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধি জিয়ারত করবেন দলের সিনিয়র নেতারা। এরপর দলীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তারা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির নেতারা ঈদকে শুধু ধর্মীয় বা পারিবারিক উৎসব হিসেবে নয়, বরং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। রাজধানীর সুপ্রিম কোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিতব্য এই জামাতে তিনিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। ঈদের নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন ঢাকায় ঈদ উদযাপন করবেন। তবে ঈদের পরপরই তারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
অন্যদিকে, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেরানীগঞ্জে নিজ এলাকায় ঈদ করবেন। আব্দুল মঈন খান নরসিংদীর পলাশে, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজারে এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে ঈদ উদযাপন করবেন।
তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান অসুস্থতার কারণে বর্তমানে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় দেশে ঈদ করতে পারছেন না।
দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকায় অবস্থান করবেন। অন্যদিকে বরকতউল্লা বুলু নোয়াখালীতে, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বরিশালে এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন।
যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে খায়রুল কবির খোকন নরসিংদীতে, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুরে, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহে এবং আবদুস সালাম আজাদ মুন্সিগঞ্জে ঈদ করবেন।
দলীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঈদের দিন সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধি জিয়ারত করবেন দলের সিনিয়র নেতারা। এরপর দলীয় কার্যালয় ও বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তারা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির নেতারা ঈদকে শুধু ধর্মীয় বা পারিবারিক উৎসব হিসেবে নয়, বরং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১৫ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১ দিন আগে