
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্যবসায়ী নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয় বলেন, ‘ব্যবসায়ী বা ঋণখেলাপিদের অর্থায়নে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে তিনি জনগণের চেয়ে অর্থদাতাদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ ধরনের রাজনীতির সঙ্গে এনসিপি যুক্ত হতে চায় না।’
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে যখন তারা অন্য দলগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন নিজেদের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীদের কেউই শত শত কোটি টাকার ঋণখেলাপি নন, কারও বিদেশি নাগরিকত্ব নেই এবং বিদেশে বাড়িঘর বা সম্পদের মালিকও নন। এখানেই এনসিপির রাজনীতির মৌলিক পার্থক্য ফুটে ওঠে।’
দলের প্রার্থীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘অধিকাংশ প্রার্থীই জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া তরুণ পেশাজীবী, যারা পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, আবার কেউ কেউ পড়াশোনা শেষ করা সাবেক শিক্ষার্থী।’
তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া কেউই আগে থেকে কোটিপতি বা আর্থিকভাবে প্রভাবশালী নন।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘অর্থ ও প্রভাব নয়, বরং জনগণের আস্থা ও সমর্থনই এনসিপির রাজনীতির প্রধান শক্তি। এই শক্তির ওপর ভর করেই দলটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থনির্ভর রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’

ব্যবসায়ী নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে চাই জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয় বলেন, ‘ব্যবসায়ী বা ঋণখেলাপিদের অর্থায়নে কোনো প্রার্থী নির্বাচিত হলে সংসদে গিয়ে তিনি জনগণের চেয়ে অর্থদাতাদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ ধরনের রাজনীতির সঙ্গে এনসিপি যুক্ত হতে চায় না।’
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে যখন তারা অন্য দলগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন নিজেদের ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীদের কেউই শত শত কোটি টাকার ঋণখেলাপি নন, কারও বিদেশি নাগরিকত্ব নেই এবং বিদেশে বাড়িঘর বা সম্পদের মালিকও নন। এখানেই এনসিপির রাজনীতির মৌলিক পার্থক্য ফুটে ওঠে।’
দলের প্রার্থীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘অধিকাংশ প্রার্থীই জুলাই অভ্যুত্থানের পর গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া তরুণ পেশাজীবী, যারা পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, আবার কেউ কেউ পড়াশোনা শেষ করা সাবেক শিক্ষার্থী।’
তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া কেউই আগে থেকে কোটিপতি বা আর্থিকভাবে প্রভাবশালী নন।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘অর্থ ও প্রভাব নয়, বরং জনগণের আস্থা ও সমর্থনই এনসিপির রাজনীতির প্রধান শক্তি। এই শক্তির ওপর ভর করেই দলটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থনির্ভর রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে