
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রথম ধাপে যে ছয়টি কমিশন গঠন করা করেছিল, তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ছয় কমিশনের সর্বসম্মত যে সুপারিশমালা প্রকাশ করা হয়েছিল, তা এখনো ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইটে এসব প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনগুলো পাওয়া যাবে https://cabinet.gov.bd/ সাইটে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় ৮ আগস্ট। বিভিন্ন খাতের সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নিয়ে যেতে সরকার ৩ অক্টোবর প্রথম ধাপে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এগুলো হলো— সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
কমিশনগুলোকে প্রথমে সংস্কারের সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। পরে সবগুলো কমিশনকেই প্রতিবেদন জমা দিতে সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ ও দুদক সংস্কার কমিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেয় ১৫ জানুয়ারি। জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন দেয় ৫ ফেব্রুয়ারি।
এরপর দ্বিতীয় ধাপে নভেম্বরে গঠন করা হয় আরও পাঁচটি কমিশন। এগুলো হলো— গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন, শ্রম সংস্কার কমিশন, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।
এদিকে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ব্রিফিংয়ে বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি সংস্কার কমিশনগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে সরকারের করণীয় নিয়ে সর্বসম্মত সুপারিশমালাও এ দিন পেশ করবেন সংস্কার কমিশনগুলোর প্রধানরা।
আইন উপদেষ্টা আরও জানান, এসব প্রতিবেদন নিয়ে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করবে সরকার। ওইসব বৈঠক থেকে উঠে আসা ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন খাতের সংস্কার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
পরদিন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের আলোচনায় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হবে ‘জুলাই সনদ’। তার ওপর ভিত্তি করেই আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে সবার মতামত নিয়ে।
এর মধ্যে ছয় সংস্কার কমিশনের প্রধানদের নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নিজেই এই কমিশনের প্রধান। ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আলী রীয়াজ, যিনি সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান। বাকি পাঁচ সংস্কার কমিশনের প্রধানরা এই কমিশনের সদস্য।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের পর কমিশনগুলোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। এ দিন থেকে যাত্রা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্দেশ্যে প্রথম ধাপে যে ছয়টি কমিশন গঠন করা করেছিল, তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ছয় কমিশনের সর্বসম্মত যে সুপারিশমালা প্রকাশ করা হয়েছিল, তা এখনো ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইটে এসব প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনগুলো পাওয়া যাবে https://cabinet.gov.bd/ সাইটে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় ৮ আগস্ট। বিভিন্ন খাতের সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নিয়ে যেতে সরকার ৩ অক্টোবর প্রথম ধাপে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এগুলো হলো— সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন।
কমিশনগুলোকে প্রথমে সংস্কারের সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। পরে সবগুলো কমিশনকেই প্রতিবেদন জমা দিতে সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ ও দুদক সংস্কার কমিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেয় ১৫ জানুয়ারি। জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন দেয় ৫ ফেব্রুয়ারি।
এরপর দ্বিতীয় ধাপে নভেম্বরে গঠন করা হয় আরও পাঁচটি কমিশন। এগুলো হলো— গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন, শ্রম সংস্কার কমিশন, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।
এদিকে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল গত মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ব্রিফিংয়ে বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারি সংস্কার কমিশনগুলোর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে সরকারের করণীয় নিয়ে সর্বসম্মত সুপারিশমালাও এ দিন পেশ করবেন সংস্কার কমিশনগুলোর প্রধানরা।
আইন উপদেষ্টা আরও জানান, এসব প্রতিবেদন নিয়ে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করবে সরকার। ওইসব বৈঠক থেকে উঠে আসা ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন খাতের সংস্কার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
পরদিন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ব্রিফিংয়ে বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের আলোচনায় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রণয়ন করা হবে ‘জুলাই সনদ’। তার ওপর ভিত্তি করেই আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে সবার মতামত নিয়ে।
এর মধ্যে ছয় সংস্কার কমিশনের প্রধানদের নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নিজেই এই কমিশনের প্রধান। ঐকমত্য কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আলী রীয়াজ, যিনি সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান। বাকি পাঁচ সংস্কার কমিশনের প্রধানরা এই কমিশনের সদস্য।
আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের পর কমিশনগুলোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। এ দিন থেকে যাত্রা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে