
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের রাজনীতিকদের ‘সবচেয়ে হীন ব্যক্তি’ বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আপনারা সকলে একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন, সেটা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া; যা খুশি তাই করা হয়। সমাজের কাছে রাজনীতিকদের একটা সবচেয়ে হীন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।’
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন। এই আলোচনা সভার উপলক্ষ্য ছিল ১৯৬২ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত বিরোধী দলীয় সদস্য মাহবুবুল হকের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম তারার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের ফলে দেশের রাজনীতি এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। রাজনীতি ধ্বংসের একটা ষড়যন্ত্র চলছে।’
এই পরিস্থিতি সুস্থ রাজনীতির জন্য ‘শুভ লক্ষণ নয়’ বলে জানান মির্জা ফখরুল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনীতিকদের নিয়ে যে ‘অপপ্রচার ও মিথ্যাচার’ চলছে, তা পরিকল্পিত মনে করেন তিনি। বলেন, ‘যারা অনলাইন বুলিংয়ে জড়িত, তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা, যে কনটেক্সট নিয়ে আসেন, তা রাজনীতির স্বাভাবিক ধারা ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে একটা শক্তির উত্থান হয়েছে, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়। তারা যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, তাদের এক হওয়া উচিত।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলের জয়কে ‘ইতিবাচক’ অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এটি কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপির কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে তা ভুল হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণই বিএনপির রাজনৈতিক পথ। সেই পথে বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। প্রয়াত মাহবুবুল হকের মেয়ে অধ্যাপক জাফরুন নাহারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ।
রাজনীতি/আইআর

দেশের রাজনীতিকদের ‘সবচেয়ে হীন ব্যক্তি’ বানানোর চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আপনারা সকলে একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন, সেটা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া; যা খুশি তাই করা হয়। সমাজের কাছে রাজনীতিকদের একটা সবচেয়ে হীন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।’
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন। এই আলোচনা সভার উপলক্ষ্য ছিল ১৯৬২ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত বিরোধী দলীয় সদস্য মাহবুবুল হকের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম তারার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের ফলে দেশের রাজনীতি এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। রাজনীতি ধ্বংসের একটা ষড়যন্ত্র চলছে।’
এই পরিস্থিতি সুস্থ রাজনীতির জন্য ‘শুভ লক্ষণ নয়’ বলে জানান মির্জা ফখরুল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনীতিকদের নিয়ে যে ‘অপপ্রচার ও মিথ্যাচার’ চলছে, তা পরিকল্পিত মনে করেন তিনি। বলেন, ‘যারা অনলাইন বুলিংয়ে জড়িত, তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা, যে কনটেক্সট নিয়ে আসেন, তা রাজনীতির স্বাভাবিক ধারা ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশে একটা শক্তির উত্থান হয়েছে, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়। তারা যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, তাদের এক হওয়া উচিত।’
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলের জয়কে ‘ইতিবাচক’ অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এটি কোনো বিপ্লবী দল নয়। বিএনপির কাছে কেউ বিপ্লব আশা করলে তা ভুল হবে।’
তিনি বলেন, ‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণই বিএনপির রাজনৈতিক পথ। সেই পথে বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। প্রয়াত মাহবুবুল হকের মেয়ে অধ্যাপক জাফরুন নাহারের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ।
রাজনীতি/আইআর

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৩ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৫ দিন আগে
এক বিবৃতিতে সিপিবির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট অনেক বড় অঙ্কের, কিন্তু একই সঙ্গে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁকা বলে প্রতিভাত হচ্ছে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির কোনো আশাবাদ প্রস্তাবিত বাজেটে দেখা যাচ্ছে না। এই বাজেট বৈষম্য বৃদ্ধি করবে।
৫ দিন আগে
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
৫ দিন আগে