
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডিআরইউতে মব বা দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলার মুখে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
বিবিসি জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি রাত পৌনে বারটার দিকে জানিয়েছেন আটককৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হচ্ছে এবং তাদের শাহবাগ থানা থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বক্তৃতা, বিবৃতি, বই, কলামের লেখা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে পুলিশ তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে।
"লতিফ সাহেবের বক্তৃতা দেখলাম, যেই ব্যানারে আসছে সেই ব্যানারটা দেখলাম। এছাড়া, তাদের কলাম-বই এসব অ্যানালাইসিস করে দেখলাম একটা নির্দিষ্ট দিকে যাচ্ছে," বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি যোগ করেন, "তারা যে সমস্ত বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছে , তা রাষ্ট্রের অবস্থানের সাথে কন্ট্রাডিক্টরি(বিরোধী)।"
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে 'আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল 'মঞ্চ ৭১'।
দুপুর ১২ টার দিকে অনুষ্ঠান চলাকালে এক দল ব্যক্তি নিজেদের 'জুলাই যোদ্ধা' পরিচয় দিয়ে মিলনায়তনে ঢুকে পড়েন এবং সেখানে অংশগ্রহণকারীদের 'ফ্যাসিবাদের দোসর' ও 'খুনি' আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করেন।
যারা অনুষ্ঠানে মব সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে ডিএমপি'র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান বলেন, মামলা হলে তদন্ত করে যার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা তদন্তের ব্যাপার।
বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের ফুটেজে দেখা যায়, ডিআরইউতে অনুষ্ঠানস্থলে লতিফ সিদ্দিকী একটি চেয়ারে চুপচাপ বসে আছেন এবং বেশ কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাকে ঘিরে গালি-গালাজ ও বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জনও ওই রুমে ছিলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বাধা দেন।
এক পর্যায়ে তার গায়ে ধরে তাকে সেখানেই বসে থাকতে বলেন তারা। ওই শিক্ষকের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়।

ডিআরইউতে মব বা দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলার মুখে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
বিবিসি জানিয়েছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি রাত পৌনে বারটার দিকে জানিয়েছেন আটককৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হচ্ছে এবং তাদের শাহবাগ থানা থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বক্তৃতা, বিবৃতি, বই, কলামের লেখা ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে পুলিশ তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে।
"লতিফ সাহেবের বক্তৃতা দেখলাম, যেই ব্যানারে আসছে সেই ব্যানারটা দেখলাম। এছাড়া, তাদের কলাম-বই এসব অ্যানালাইসিস করে দেখলাম একটা নির্দিষ্ট দিকে যাচ্ছে," বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি যোগ করেন, "তারা যে সমস্ত বক্তৃতা-বিবৃতি দিচ্ছে , তা রাষ্ট্রের অবস্থানের সাথে কন্ট্রাডিক্টরি(বিরোধী)।"
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে 'আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল 'মঞ্চ ৭১'।
দুপুর ১২ টার দিকে অনুষ্ঠান চলাকালে এক দল ব্যক্তি নিজেদের 'জুলাই যোদ্ধা' পরিচয় দিয়ে মিলনায়তনে ঢুকে পড়েন এবং সেখানে অংশগ্রহণকারীদের 'ফ্যাসিবাদের দোসর' ও 'খুনি' আখ্যা দিয়ে হেনস্তা করেন।
যারা অনুষ্ঠানে মব সৃষ্টি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে ডিএমপি'র গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান বলেন, মামলা হলে তদন্ত করে যার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা তদন্তের ব্যাপার।
বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের ফুটেজে দেখা যায়, ডিআরইউতে অনুষ্ঠানস্থলে লতিফ সিদ্দিকী একটি চেয়ারে চুপচাপ বসে আছেন এবং বেশ কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাকে ঘিরে গালি-গালাজ ও বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জনও ওই রুমে ছিলেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বাধা দেন।
এক পর্যায়ে তার গায়ে ধরে তাকে সেখানেই বসে থাকতে বলেন তারা। ওই শিক্ষকের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হতে দেখা যায়।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে