
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি দলটির মিডিয়া সেলের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তিনি দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আর সবসময় দলের ঘোষিত লক্ষ্য, আদর্শ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও গণতান্ত্রিক নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আমি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।’
দলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নীতিগত দ্বিমত পোষণ করে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’
মুশফিক উস সালেহীন চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার বিবেচনায়, এনসিপির ওই জোটে যোগদান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
দলের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, ‘দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা এবং নতুন জোটসঙ্গীদের রাজনৈতিক চরিত্র বিবেচনায় নিয়ে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।’
সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি থেকে অন্তত ১০ জন নেতার পদত্যাগের খবর পাওয়া গেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি দলটির মিডিয়া সেলের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তিনি দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি লেখেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আর সবসময় দলের ঘোষিত লক্ষ্য, আদর্শ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও গণতান্ত্রিক নৈতিকতার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে আমি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।’
দলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে নীতিগত দ্বিমত পোষণ করে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত নই।’
মুশফিক উস সালেহীন চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার বিবেচনায়, এনসিপির ওই জোটে যোগদান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
দলের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, ‘দলের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা এবং নতুন জোটসঙ্গীদের রাজনৈতিক চরিত্র বিবেচনায় নিয়ে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।’
সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি থেকে অন্তত ১০ জন নেতার পদত্যাগের খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩-৪ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে এই মামলা করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।
১ দিন আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম চার হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন তিন হাজার ৭৭৭ ভোট। সে হিসাবে রাকিবের চেয়ে ৬৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন রিয়াজুল।
১ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যা
১ দিন আগে