
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে কেউ কেউ বাঁকা, অন্ধকার গলির পথে চলতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াতের ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসন নির্বাচনি কমিটি এই জনসভা আয়োজন করে। এতে বক্তব্যে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুনতে পাচ্ছি, কেউ কেউ নিজেদের হেরে যাওয়ার (জাতীয় নির্বাচনে) ভয়ে বাঁকা-অন্ধকার গলিপথে চলতে পারেন। আমরা নির্দিষ্ট কোনো দলকে বলছি না, ব্যক্তিকেও বলছি না।’
‘আমরা আশা করব, জুলাইয়ের চেতনাকে উপলব্ধি করে এগুলো থেকে সরে আসবেন। যদি না আসেন মনে রাখবেন, জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে যায়নি। তাদের প্রথম কাজটি করেছে, দ্বিতীয় কাজের জন্য তারা এখন প্রস্তুত,’— বলেন জামায়াত আমির।
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণ ভোটারদের ভোটকে ‘বাধাগ্রস্ত’ করতে চাইলে ‘আগুন জ্বলবে’ বলে জনসভায় উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘তাদের ভোটে কেউ হাত দেবেন না। হাত দিলে আগুন জ্বলবে। ওই স্লোগান শেষ। সন্ত্রাসীরা বলত, আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটাও আমি দেবো। ওই দিন এখন শেষ। আপনারটা আপনি দেন, আমারটা আমি দেবো। এবার তা-ই হবে, ইনশাআল্লাহ।’
বিগত সরকারগুলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি চরম অবহেলা করেছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র উচ্চস্তরে, নিম্নস্তরে দেওয়া হয়নি। জামায়াত কওমি মাদ্রাসার পরিচালকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা ও পরামর্শ অনুযায়ী মাদ্রাসাগুলোকে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দেবে। এ ছাড়া হেফাজতের আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি এই স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।
জামায়াতের আমির ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর ফকির। সঞ্চালক ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা জামায়াতের আমির একে আজাদ খান, কদমতলী থানার আমির মো. মহিউদ্দিন এবং মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য মিজানুর রহমান মালেক।
সকাল সাড়ে ১০টার পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সভায় বক্তব্য দেন জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জাকসু এজিএস মাজহারুল ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এবি পার্টি এবং ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াতের নেতারা।

জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে কেউ কেউ বাঁকা, অন্ধকার গলির পথে চলতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলার পাড় এলাকায় এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াতের ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসন নির্বাচনি কমিটি এই জনসভা আয়োজন করে। এতে বক্তব্যে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা শুনতে পাচ্ছি, কেউ কেউ নিজেদের হেরে যাওয়ার (জাতীয় নির্বাচনে) ভয়ে বাঁকা-অন্ধকার গলিপথে চলতে পারেন। আমরা নির্দিষ্ট কোনো দলকে বলছি না, ব্যক্তিকেও বলছি না।’
‘আমরা আশা করব, জুলাইয়ের চেতনাকে উপলব্ধি করে এগুলো থেকে সরে আসবেন। যদি না আসেন মনে রাখবেন, জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে যায়নি। তাদের প্রথম কাজটি করেছে, দ্বিতীয় কাজের জন্য তারা এখন প্রস্তুত,’— বলেন জামায়াত আমির।
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া তরুণ ভোটারদের ভোটকে ‘বাধাগ্রস্ত’ করতে চাইলে ‘আগুন জ্বলবে’ বলে জনসভায় উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘তাদের ভোটে কেউ হাত দেবেন না। হাত দিলে আগুন জ্বলবে। ওই স্লোগান শেষ। সন্ত্রাসীরা বলত, আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটাও আমি দেবো। ওই দিন এখন শেষ। আপনারটা আপনি দেন, আমারটা আমি দেবো। এবার তা-ই হবে, ইনশাআল্লাহ।’
বিগত সরকারগুলো কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি চরম অবহেলা করেছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র উচ্চস্তরে, নিম্নস্তরে দেওয়া হয়নি। জামায়াত কওমি মাদ্রাসার পরিচালকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা ও পরামর্শ অনুযায়ী মাদ্রাসাগুলোকে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দেবে। এ ছাড়া হেফাজতের আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের রাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি এই স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।
জামায়াতের আমির ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী কামাল হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আবদুস সবুর ফকির। সঞ্চালক ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা জামায়াতের আমির একে আজাদ খান, কদমতলী থানার আমির মো. মহিউদ্দিন এবং মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য মিজানুর রহমান মালেক।
সকাল সাড়ে ১০টার পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সভায় বক্তব্য দেন জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জাকসু এজিএস মাজহারুল ইসলামসহ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, এবি পার্টি এবং ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াতের নেতারা।

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপিসহ তিনটি সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।’
২ দিন আগে
সফরকালে বিরোধীদলীয় নেতা গুরুতর আহতদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বোচ্চ ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি, ইনক’ প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এই পুরস্কারটি প্রবর্তন করেছে। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
৩ দিন আগে