
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। সংবাদকর্মীদের ওপর হামলাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক’ বর্ণনা করে ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে এ দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শেষে এক সাংবাদিককে মারধর করেন দেন বলে অভিযোগ ওঠে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ওই বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল।
হামলার শিকার মাহফুজুর রহমান শিশির দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আহত হন দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেনও। এ ছাড়া অন্তত ১০ জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
জামায়াত নেতা জুবায়ের বিবৃতিতে বলেন, ‘ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি-উৎসাহী ব্যক্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।’
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘ধানমন্ডির ঘটনাটি অনাকাঙিক্ষত ও ভুল বুঝাবুঝির কারণে হয়েছে।’
এই জামায়াত নেতা আরও বলেন, ‘সাংবাদিক শিশির সবসময় আমাদের প্রোগ্রাম কভার করেন। হামলার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদেরকে সাংগঠনিকভাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। অন্য কেউ সুযোগ নিয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। সংবাদকর্মীদের ওপর হামলাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক’ বর্ণনা করে ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে এ দিন সকাল পৌনে ৯টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শেষে এক সাংবাদিককে মারধর করেন দেন বলে অভিযোগ ওঠে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ওই বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল।
হামলার শিকার মাহফুজুর রহমান শিশির দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আহত হন দ্য নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মারুফ হোসেনও। এ ছাড়া অন্তত ১০ জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
জামায়াত নেতা জুবায়ের বিবৃতিতে বলেন, ‘ধানমন্ডি জোনের বিক্ষোভ কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পর সেখানে উপস্থিত কিছু অতি-উৎসাহী ব্যক্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত বহিরাগতদের উসকানিতে এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা কোনো উগ্র আচরণকে জামায়াতে ইসলামী কখনোই প্রশ্রয় দেয় না।’
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার পেছনে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখতে দলের পক্ষ থেকে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। যদি আমাদের কোনো স্তরের কর্মীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘ধানমন্ডির ঘটনাটি অনাকাঙিক্ষত ও ভুল বুঝাবুঝির কারণে হয়েছে।’
এই জামায়াত নেতা আরও বলেন, ‘সাংবাদিক শিশির সবসময় আমাদের প্রোগ্রাম কভার করেন। হামলার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদেরকে সাংগঠনিকভাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। অন্য কেউ সুযোগ নিয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে ক্ষমতায় যাবার হাতিয়ার হিসেবে অনেকে ব্যবহার করতে চায়। বিএনপি সরকার তা চায় না জুলাই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হোক। জুলাইয়ের আন্দোলন শুধু ওই জুলাই মাসেরই আন্দোলন নয়। জুলাইয়ের আন্দোলন দীর্ঘকাল ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছে সেই লড়াইয়ের ফলশ্রুতি।
২ দিন আগে
বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, যেসব দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোটে যুক্ত, তাদের জোট থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। হেফাজতের মুরব্বিরা তাদের জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন। নির্বাচনি জোটে থাকলেও আলাদা করে এসব দলের মধ্যে ঐক্য এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও কেউ কেউ কথা বলেছেন।
২ দিন আগে
সাইফুল হক বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। শহিদরা বৈষম্যহীন মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র তার উলটো পথে হাঁটছে। অভ্যুত্থানের পর শোষণ-বৈষম্য আরও বেড়েছে, বেকারত্ব- চাকরিচ্যুতি, অভাব-দারিদ্র্যও আরও বেড়েছে।
২ দিন আগে
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, রথযাত্রার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
২ দিন আগে