
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছয় মাসের কার্যক্রমে সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সন্তুষ্টির দিক থেকে সরকারের চেয়েও এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার কাজে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষ। এমনকি জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টির হার প্রায় একই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে পরিচালিত এক জরিপের প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’ শীর্ষক জরিপটি পরিচালনা করেছে ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ভবনের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৮০ শতাংশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ।
জরিপে সরকার ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছে বলে উত্তর দিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ, খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ। আর সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক নাকি ভুল পথে যাচ্ছে— এমন প্রশ্নে ৪৮ দশমিক ৬০ শতাংশ মানুষের উত্তর, দেশ সঠিক পথে যাচ্ছে। ভুল পথে যাচ্ছে বলে উত্তর দিয়েছেন ৩৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, আর ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ কোনো উত্তর দেননি।
দেশ সঠিক পথে যাচ্ছে— এমন উত্তর এসেছে বিএনপির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, জামায়াত সমর্থকদের ৪৪ শতাংশ ও এনসিপি সমর্থকদের ৫৫ দশমিক ২০ শতাংশের কাছ থেকে। আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।
বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংসদে ‘ভালো করছেন’ বলে উত্তর দিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ। আর বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রতি এমন ইতিবাচক উত্তর এসেছে ৩৯ দশমিক ৮০ শতাংশ মানুষের পক্ষ থেকে।
দুজনের ক্ষেত্রেই পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব কম এসেছে। শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে ৫২ দশমিক ৯০ শতাংশ পুরুষ ও ৪২ দশমিক ৮০ শতাংশ নারী ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। অন্যদিকে নাহিদ ইসলামের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন পুরুষদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ৮০ শতাংশ ও নারীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া ৩২ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ শফিকুর রহমান সম্পর্কে ও ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ নাহিদ ইসলাম সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন না বলে উল্লেখ করেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া সবচেয়ে বেশি ৫৯ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রায় সমসংখ্যক— ৫৯ দশমিক ১০ শতাংশ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দামের কথা। সমস্যার ক্ষেত্রে পরের দুটি স্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (৩২ দশমিক ৬০ শতাংশ) ও কর্মসংস্থানের সংকট (৩০ দশমিক ৮০ শতাংশ)।
জরিপে অংশ নেওয়া ৩৮ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সামনের ১২ মাসে দেশের আর্থিক অবস্থা ভালো হবে, খারাপ হবে বলে মনে করেছেন ২৪ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে দেশ নিয়ে ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ এক বছর আগের চেয়ে বেশি আশাবাদী, ৩৯ শতাংশ কম আশাবাদী। আর ৬ দশমিক ২০ শতাংশ বলেছেন, দেশে কিছুই বদলায়নি।
জরিপে উঠে এসেছে, সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সমর্থন করছেন ৭৮ দশমিক ৬০ শতাংশ মানুষ, করনীতিকে সমর্থন করেছেন ৭০ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ। এ ছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া ৭০ শতাংশ মনে করেন, গণভোটের ফল সরকারের বাস্তবায়ন করা উচিত।

ছয় মাসের কার্যক্রমে সরকারের প্রতি সন্তুষ্টি জানিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। সন্তুষ্টির দিক থেকে সরকারের চেয়েও এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার কাজে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন ৬৬ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষ। এমনকি জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টির হার প্রায় একই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে পরিচালিত এক জরিপের প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। ‘অ্যাপ্রুভাল রেটিং সার্ভে ২০২৬’ শীর্ষক জরিপটি পরিচালনা করেছে ডপলার অপিনিয়ন রিসার্চ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ভবনের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৮০ শতাংশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ।
জরিপে সরকার ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছে বলে উত্তর দিয়েছেন ৫৪ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ, খারাপ বলেছেন ৩২ দশমিক ৯০ শতাংশ মানুষ। আর সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ সঠিক নাকি ভুল পথে যাচ্ছে— এমন প্রশ্নে ৪৮ দশমিক ৬০ শতাংশ মানুষের উত্তর, দেশ সঠিক পথে যাচ্ছে। ভুল পথে যাচ্ছে বলে উত্তর দিয়েছেন ৩৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, আর ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ কোনো উত্তর দেননি।
দেশ সঠিক পথে যাচ্ছে— এমন উত্তর এসেছে বিএনপির সমর্থকদের ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, জামায়াত সমর্থকদের ৪৪ শতাংশ ও এনসিপি সমর্থকদের ৫৫ দশমিক ২০ শতাংশের কাছ থেকে। আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।
বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংসদে ‘ভালো করছেন’ বলে উত্তর দিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ। আর বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রতি এমন ইতিবাচক উত্তর এসেছে ৩৯ দশমিক ৮০ শতাংশ মানুষের পক্ষ থেকে।
দুজনের ক্ষেত্রেই পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব কম এসেছে। শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে ৫২ দশমিক ৯০ শতাংশ পুরুষ ও ৪২ দশমিক ৮০ শতাংশ নারী ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। অন্যদিকে নাহিদ ইসলামের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন পুরুষদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ৮০ শতাংশ ও নারীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ।
জরিপে অংশ নেওয়া ৩২ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ শফিকুর রহমান সম্পর্কে ও ৩৭ দশমিক ২০ শতাংশ মানুষ নাহিদ ইসলাম সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন না বলে উল্লেখ করেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া সবচেয়ে বেশি ৫৯ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রায় সমসংখ্যক— ৫৯ দশমিক ১০ শতাংশ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দামের কথা। সমস্যার ক্ষেত্রে পরের দুটি স্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (৩২ দশমিক ৬০ শতাংশ) ও কর্মসংস্থানের সংকট (৩০ দশমিক ৮০ শতাংশ)।
জরিপে অংশ নেওয়া ৩৮ দশমিক ১০ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সামনের ১২ মাসে দেশের আর্থিক অবস্থা ভালো হবে, খারাপ হবে বলে মনে করেছেন ২৪ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষ। অন্যদিকে দেশ নিয়ে ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ এক বছর আগের চেয়ে বেশি আশাবাদী, ৩৯ শতাংশ কম আশাবাদী। আর ৬ দশমিক ২০ শতাংশ বলেছেন, দেশে কিছুই বদলায়নি।
জরিপে উঠে এসেছে, সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে সমর্থন করছেন ৭৮ দশমিক ৬০ শতাংশ মানুষ, করনীতিকে সমর্থন করেছেন ৭০ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ। এ ছাড়া জরিপে অংশ নেওয়া ৭০ শতাংশ মনে করেন, গণভোটের ফল সরকারের বাস্তবায়ন করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১০ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১২ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১৬ ঘণ্টা আগে