
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) পুনরায় পুনর্বহাল হলেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনসিপি।
গত ১৭ জুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সারোয়ার তুষারের একটি অডিও ফাঁস হলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দল তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করে।
দুই মাস ধরে দলের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার পর, তার লিখিত জবাব এবং অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে এনসিপি তাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করে এবং তার ওপর থেকে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এনসিপি। গত ১৭ জুন এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষারের সঙ্গে এক নারীর কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়৷ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে পরদিন তুষারকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে পাঁচ দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছিল দলটি। পাশাপাশি বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার আগপর্যন্ত তুষারকে এনসিপির সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতেও বলা হয়৷
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহউদ্দিন সিফাতের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বরাবর নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল৷ সারোয়ার তুষার দপ্তরের মাধ্যমে দলের আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, রাজনৈতিক পর্ষদ ও শৃঙ্খলা কমিটি বরাবর ওই নোটিশের লিখিত জবাব দেন৷
ওই জবাব বিশ্লেষণ করে একান্ত ব্যক্তিগত যোগাযোগের এ ঘটনা নারীর প্রতি সংবেদনশীলতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এনসিপি গভীর পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশের নির্দেশ অনুযায়ী সারোয়ার তুষার দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন৷
সাংগঠনিক নির্দেশ অনুযায়ী দেশব্যাপী এনসিপির জুলাই পদযাত্রা, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এনসিপিকে প্রতিনিধিত্ব করা, গণমাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরা, নরসিংদীতে এনসিপির পদযাত্রায় অনুপস্থিত থাকাসহ দলের সব সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে সারোয়ার তুষার বিরত থেকেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, সার্বিক ঘটনা, লিখিত জবাব ও আলামত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পর তাঁকে পুনরায় সাংগঠনিক সব কর্মকাণ্ডে পুনর্বহাল করার মাধ্যমে কারণ দর্শানোর নোটিশটি প্রত্যাহার করা হলো।

নৈতিক স্খলনের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) পুনরায় পুনর্বহাল হলেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনসিপি।
গত ১৭ জুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সারোয়ার তুষারের একটি অডিও ফাঁস হলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দল তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করে।
দুই মাস ধরে দলের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার পর, তার লিখিত জবাব এবং অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে এনসিপি তাকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করে এবং তার ওপর থেকে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে এনসিপি। গত ১৭ জুন এনসিপির নেতা সারোয়ার তুষারের সঙ্গে এক নারীর কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়৷ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে পরদিন তুষারকে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে পাঁচ দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছিল দলটি। পাশাপাশি বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার আগপর্যন্ত তুষারকে এনসিপির সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতেও বলা হয়৷
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহউদ্দিন সিফাতের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বরাবর নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল৷ সারোয়ার তুষার দপ্তরের মাধ্যমে দলের আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, রাজনৈতিক পর্ষদ ও শৃঙ্খলা কমিটি বরাবর ওই নোটিশের লিখিত জবাব দেন৷
ওই জবাব বিশ্লেষণ করে একান্ত ব্যক্তিগত যোগাযোগের এ ঘটনা নারীর প্রতি সংবেদনশীলতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এনসিপি গভীর পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশের নির্দেশ অনুযায়ী সারোয়ার তুষার দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন৷
সাংগঠনিক নির্দেশ অনুযায়ী দেশব্যাপী এনসিপির জুলাই পদযাত্রা, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এনসিপিকে প্রতিনিধিত্ব করা, গণমাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরা, নরসিংদীতে এনসিপির পদযাত্রায় অনুপস্থিত থাকাসহ দলের সব সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে সারোয়ার তুষার বিরত থেকেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এতে আরও বলা হয়, সার্বিক ঘটনা, লিখিত জবাব ও আলামত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে দুই মাস সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পর তাঁকে পুনরায় সাংগঠনিক সব কর্মকাণ্ডে পুনর্বহাল করার মাধ্যমে কারণ দর্শানোর নোটিশটি প্রত্যাহার করা হলো।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
১ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
২ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে