
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারের পদত্যাগ দাবির এক দফা দাবি আদায়ে ঢাকার রাজপথ দখলে নিয়েছেন ছাত্র-জনতা। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনস্রোত এসে মিশছে শাহবাগে। ছাত্র-জনতার স্বতস্ফূর্ত আন্দোলনে স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল ঢাকা। ঢাকার রাজপথে উল্লাসে ফেটে পড়ছেন তারা।
সোমবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে শুরু করেন ছাত্র-জনতা। বেলা গড়িয়ে দুপুর হলে মিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। শাহবাগ, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, উত্তরা, আজমপুর, বাড্ডা, রামপুরা, মহাখালী, শহীদ মিনার, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা দখলে নিয়ে নেন ছাত্র-জনতা।
শিক্ষার্থী ও জনতা শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগ, গুলি করে শিক্ষার্থী ও জনতাকে হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করছেন। একই সঙ্গে দেশে সুশাসন ফিরিয়ে আনার দাবিও জানাচ্ছেন।
জুলাইয়ের শুরুতে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। প্রথম সপ্তাহ রাজধানীর শাহবাগ ঘিরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলে। ১৪ জুলাই পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে এ আন্দোলন। বাড়তে থাকে প্রাণহানি। ছাত্রদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে আসেন সর্বস্তরের মানুষ। অবশেষে সরকার পতনের এক দফা দাবি নিয়ে ৪ জুলাই রাস্তায় নেমে আসেন ছাত্র-জনতা।

সরকারের পদত্যাগ দাবির এক দফা দাবি আদায়ে ঢাকার রাজপথ দখলে নিয়েছেন ছাত্র-জনতা। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনস্রোত এসে মিশছে শাহবাগে। ছাত্র-জনতার স্বতস্ফূর্ত আন্দোলনে স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল ঢাকা। ঢাকার রাজপথে উল্লাসে ফেটে পড়ছেন তারা।
সোমবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হতে শুরু করেন ছাত্র-জনতা। বেলা গড়িয়ে দুপুর হলে মিছিলে মিছিলে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। শাহবাগ, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, উত্তরা, আজমপুর, বাড্ডা, রামপুরা, মহাখালী, শহীদ মিনার, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা দখলে নিয়ে নেন ছাত্র-জনতা।
শিক্ষার্থী ও জনতা শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগ, গুলি করে শিক্ষার্থী ও জনতাকে হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করছেন। একই সঙ্গে দেশে সুশাসন ফিরিয়ে আনার দাবিও জানাচ্ছেন।
জুলাইয়ের শুরুতে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। প্রথম সপ্তাহ রাজধানীর শাহবাগ ঘিরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলে। ১৪ জুলাই পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে এ আন্দোলন। বাড়তে থাকে প্রাণহানি। ছাত্রদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে আসেন সর্বস্তরের মানুষ। অবশেষে সরকার পতনের এক দফা দাবি নিয়ে ৪ জুলাই রাস্তায় নেমে আসেন ছাত্র-জনতা।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণঅভুত্থানের সময় আমাদের একটা স্লোগান ছিল— নাটক কম করো প্রিয়। তারেক রহমানকে বলে দিচ্ছি, ‘তারেক রহমান, নাটক কম করেন প্রিয়। বাংলাদেশের মানুষ আপনাকে ক্ষমতা দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনি যা খুশি করবেন, যেরকম খুশি ছলনা-প্রতারণা এদেশের জনগণের সঙ্গে করবেন।’
২ দিন আগেকার্যক্রমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এবার দলটির পদধারী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগও বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
২ দিন আগে
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘কোনো ফ্যাসিস্ট শাসকের পতনের পর তাকে আবার ক্ষমতা বা রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা যায় না। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি করতে চাইলে তা জনগণ মেনে নেবে না।’
৩ দিন আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে ক্ষমতায় যাবার হাতিয়ার হিসেবে অনেকে ব্যবহার করতে চায়। বিএনপি সরকার তা চায় না জুলাই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হোক। জুলাইয়ের আন্দোলন শুধু ওই জুলাই মাসেরই আন্দোলন নয়। জুলাইয়ের আন্দোলন দীর্ঘকাল ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছে সেই লড়াইয়ের ফলশ্রুতি।
৩ দিন আগে