
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
কার্যক্রমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এবার দলটির পদধারী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগও বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটি প্রস্তাব করেছে, সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রস্তাবিত নির্বাচনি আচরণ বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
সম্প্রতি সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দিয়েছে।
জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ শনিবার দুপুরে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কোনো পর্যায়ের নেতার স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। ইসিকে পাঠানো চিঠিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইসিতে আরও কিছু প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বলেন, ‘আশা করা যায়, ইসি এই প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করবে।’
জামায়াতে ইসলামী আরও যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলো হলো— নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, এটি নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন; স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোনো প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদে নিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান যুক্ত করা; নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা।
প্রস্তাবের মধ্যে আরও রয়েছে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা; নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসে এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা; স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা।
দুটি বিশেষ প্রস্তাবও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তার একটি হচ্ছে সংরক্ষিত নারী সদস্যপদ বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডে নারী সদস্যপদে সরাসরি নির্বাচন। অন্যটি হচ্ছে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা।
এর আগে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরের বছর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অন্তর্বর্তী সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতাদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এরপর ইসি আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করায় গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ।
বর্তমান বিএনপি সরকার আগামী অক্টোবর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন কথা জানিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভোটের পরিকল্পনা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা শুরু হয়। কারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলার মধ্যে সম্প্রতি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো স্পষ্ট জবাব আসেনি। এর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে না। সে কারণে নির্বাচনের খসড়া আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করে তার ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চায় ইসি। সেই মতামত জানিয়ে দেওয়া চিঠিতেই আওয়ামী লীগের কারও এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
কার্যক্রমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। এবার দলটির পদধারী ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগও বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
দলটি প্রস্তাব করেছে, সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সক্রিয় নেতাকর্মীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রস্তাবিত নির্বাচনি আচরণ বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
সম্প্রতি সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব দিয়েছে।
জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ শনিবার দুপুরে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কোনো পর্যায়ের নেতার স্বাভাবিকভাবেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। ইসিকে পাঠানো চিঠিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইসিতে আরও কিছু প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বলেন, ‘আশা করা যায়, ইসি এই প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করবে।’
জামায়াতে ইসলামী আরও যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলো হলো— নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলেও মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই, এটি নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন; স্থানীয় সরকার প্রশাসনে নিযুক্ত কোনো প্রশাসক বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পদে নিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার বিধান যুক্ত করা; নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করা।
প্রস্তাবের মধ্যে আরও রয়েছে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা রাখার পাশাপাশি প্রার্থীর আপিল করার সুযোগও বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা; নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসে এলইডি ডিসপ্লে, প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহারের বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা; স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান সংযোজন করা।
দুটি বিশেষ প্রস্তাবও দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তার একটি হচ্ছে সংরক্ষিত নারী সদস্যপদ বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডে নারী সদস্যপদে সরাসরি নির্বাচন। অন্যটি হচ্ছে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে কারা ভোটার হবেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা।
এর আগে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরের বছর দলটির কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অন্তর্বর্তী সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও দলটির নেতাদের বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এরপর ইসি আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করায় গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ।
বর্তমান বিএনপি সরকার আগামী অক্টোবর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন কথা জানিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভোটের পরিকল্পনা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা শুরু হয়। কারণ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলার মধ্যে সম্প্রতি স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সংসদে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো স্পষ্ট জবাব আসেনি। এর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এ ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে ইসি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে না। সে কারণে নির্বাচনের খসড়া আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করে তার ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চায় ইসি। সেই মতামত জানিয়ে দেওয়া চিঠিতেই আওয়ামী লীগের কারও এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে ক্ষমতায় যাবার হাতিয়ার হিসেবে অনেকে ব্যবহার করতে চায়। বিএনপি সরকার তা চায় না জুলাই হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হোক। জুলাইয়ের আন্দোলন শুধু ওই জুলাই মাসেরই আন্দোলন নয়। জুলাইয়ের আন্দোলন দীর্ঘকাল ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই হয়েছে সেই লড়াইয়ের ফলশ্রুতি।
১ দিন আগে
বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, যেসব দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি জোটে যুক্ত, তাদের জোট থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। হেফাজতের মুরব্বিরা তাদের জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন। নির্বাচনি জোটে থাকলেও আলাদা করে এসব দলের মধ্যে ঐক্য এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পক্ষেও কেউ কেউ কথা বলেছেন।
২ দিন আগে
সাইফুল হক বলেন, আবু সাঈদসহ জুলাই শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। শহিদরা বৈষম্যহীন মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের রাষ্ট্র তার উলটো পথে হাঁটছে। অভ্যুত্থানের পর শোষণ-বৈষম্য আরও বেড়েছে, বেকারত্ব- চাকরিচ্যুতি, অভাব-দারিদ্র্যও আরও বেড়েছে।
২ দিন আগে
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, রথযাত্রার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
২ দিন আগে