
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া দেওয়া শুরু করছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ নামে নতুন কর্মসূচির অধীনে প্রতি সপ্তাহে ২০০ পরিবারে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) থেকে এই সহায়তা প্রদান কার্যক্রম শরু করবে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’।
আজ ঢাকা বিভাগ নিয়ে কার্যক্রম চলবে। প্রতিটি শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া আহতরা পাচ্ছেন এক লাখ টাকা করে।
এ বিষয়ে শুক্রবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
এ সমন্বয়ক জানান, শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রথম ধাপে শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে শনিবার থেকে। সঙ্গে কী কী আনতে হবে তাও জানান তিনি।
ভিডিও’র ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’। শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের এর পক্ষ থেকে প্রথম ধাপে শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে শনিবার।
সঙ্গে যা নিয়ে আসতে হবে তা হলো :
১.শহীদ ভাই বা বোনের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
২.ডেথ সার্টিফিকেট
৩. নমিনি (যার নামে অ্যাকাউন্ট তার) এনআইডি কার্ড
৪. বাবা মায়ের এনআইডি কার্ড (শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী নমিনি হলে সাথে শহিদ ভাইয়ের বাবা/ মাকে নিয়ে আসতে হবে।
এর আগে সারজিস আলম জানিয়েছিলেন , শনিবার ২০০ পরিবারের মাঝে সহায়তা দেওয়া হবে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চারটি ভাগে টাকা দেওয়া হবে। প্রতি ভাগে আর্থিক সহায়তা পাবেন ৫০টি পরিবার। যেন কেউ এসে বিকেল পর্যন্ত বসে থাকতে না হয়। এজন্য ২০ জনের একটি দল প্রস্তুত রয়েছে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া দেওয়া শুরু করছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ নামে নতুন কর্মসূচির অধীনে প্রতি সপ্তাহে ২০০ পরিবারে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) থেকে এই সহায়তা প্রদান কার্যক্রম শরু করবে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’।
আজ ঢাকা বিভাগ নিয়ে কার্যক্রম চলবে। প্রতিটি শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া আহতরা পাচ্ছেন এক লাখ টাকা করে।
এ বিষয়ে শুক্রবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম।
এ সমন্বয়ক জানান, শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রথম ধাপে শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে শনিবার থেকে। সঙ্গে কী কী আনতে হবে তাও জানান তিনি।
ভিডিও’র ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’। শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের এর পক্ষ থেকে প্রথম ধাপে শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে শনিবার।
সঙ্গে যা নিয়ে আসতে হবে তা হলো :
১.শহীদ ভাই বা বোনের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
২.ডেথ সার্টিফিকেট
৩. নমিনি (যার নামে অ্যাকাউন্ট তার) এনআইডি কার্ড
৪. বাবা মায়ের এনআইডি কার্ড (শহীদ ভাইয়ের স্ত্রী নমিনি হলে সাথে শহিদ ভাইয়ের বাবা/ মাকে নিয়ে আসতে হবে।
এর আগে সারজিস আলম জানিয়েছিলেন , শনিবার ২০০ পরিবারের মাঝে সহায়তা দেওয়া হবে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চারটি ভাগে টাকা দেওয়া হবে। প্রতি ভাগে আর্থিক সহায়তা পাবেন ৫০টি পরিবার। যেন কেউ এসে বিকেল পর্যন্ত বসে থাকতে না হয়। এজন্য ২০ জনের একটি দল প্রস্তুত রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
১ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে