
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিকতা প্রদর্শনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
মায়ের এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় তার স্পর্শ পাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা থাকলেও ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা’র কারণে তিনি এককভাবে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তারেক রহমান। আশাবাদ জানিয়েছেন, সে বাস্তবতা শিগগিরই ‘প্রত্যাশিত পর্যায়ে’ পৌঁছাবে এবং তিনি দেশে ফিরবেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকেই জানা যায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা করে বার্তা দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও এক বার্তায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তারেক রহমান লিখেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সব সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে তার ছেলে লিখেছেন, দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান লিখেছেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে তার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।
নিজের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে পারছেন না জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
এ প্রসঙ্গে তারেক আরও লিখেছেন, স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিকতা প্রদর্শনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
মায়ের এমন সংকটাপন্ন অবস্থায় তার স্পর্শ পাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা থাকলেও ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা’র কারণে তিনি এককভাবে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন তারেক রহমান। আশাবাদ জানিয়েছেন, সে বাস্তবতা শিগগিরই ‘প্রত্যাশিত পর্যায়ে’ পৌঁছাবে এবং তিনি দেশে ফিরবেন।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে শুক্রবার দুপুর থেকেই জানা যায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা করে বার্তা দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসও এক বার্তায় খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তারেক রহমান লিখেছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সব সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে তার ছেলে লিখেছেন, দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান লিখেছেন, সর্বজনশ্রদ্ধেয় খালেদা জিয়ার প্রতি আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে তার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।
নিজের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে পারছেন না জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
এ প্রসঙ্গে তারেক আরও লিখেছেন, স্পর্শকাতর এ বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানান।
১৬ ঘণ্টা আগে
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালু করা হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সংস্কার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সুশাসন নিশ্চিত, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় উন্নতি, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ প্রভৃতি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
১৮ ঘণ্টা আগে