
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কবর রচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, গণভবনে কে যাবে সেটি নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ থেকে, ভারত থেকে সেটি নির্ধারিত হবে না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই সংসদে কে যাবে সেটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের খেটে খাওয়া জনতা। এই সংসদের মসনদে কে বসবে সেটি নির্ধারণ করবে এই ভূখণ্ডের মধ্যে যারা রয়েছে সেই মানুষ।’
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দেড় দশকের আওয়ামী জাহিলিয়াতের শাসনের পর আজ মুক্ত বাংলাদেশে বাস করছি। যে সংসদ ভবনকে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেই সংসদ ভবনে যাওয়ার জন্য আজ আমরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এসে দাঁড়িয়েছি। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আমাদের দেশে ছিল বিচারহীনতার সংস্কৃতি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আমরা জাতি গড়ে তুলতে পারি নাই। বিভাজনের রাজনীতি আমাদের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে জিইয়ে রাখা হয়েছে। আমরা স্টেট ডেভেলপ করতে পারি নাই, ন্যাশন ডেভেলপ করতে পারি নাই। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে গিয়েছে। আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারি নাই, আমরা ফাংশনাল ব্যুরোক্রেসি নিশ্চিত করতে পারি নাই। আমরা স্বাধীন পুলিশ নিশ্চিত করতে পারি নাই। স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করতে পারি নাই। আমরা স্বাধীনতার এত বছর পরও তরুণ প্রজন্ম একটা ইনস্টিটিউশন প্রোপারলি ফাংশন করতে দেখি নাই।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা আপনাদের কাছে কমিটমেন্ট দিতে চাই, এই তরুণ প্রজন্ম, আমরা ইনস্টিটিউশনগুলোকে প্রোপারলি ফাংশনাল করব। আমরা কমিটমেন্ট দিতে চাই, বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একতার রাজনীতি আমরা বাংলাদেশে চালু করব। আমরা স্টেট ডেভেলপ করব। বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু কোনো প্রেসক্রিপশনের সম্পর্ক থাকবে না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমাদের যখন একটা ছেলে রাস্তায় রক্ত দেওয়া শিখে গিয়েছে, আমাদের কেউ রক্ত দেওয়া থেকে দমায়ে রাখতে পারবে না।’
নতুন এ রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।
এছাড়াও রয়েছেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, জনতার অধিকার পার্টির (পিআরপি) চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শাহ আহম্মেদ বাদল প্রমুখ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কবর রচনা করেছি। আমরা বলতে চাই, গণভবনে কে যাবে সেটি নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ থেকে, ভারত থেকে সেটি নির্ধারিত হবে না। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই সংসদে কে যাবে সেটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের খেটে খাওয়া জনতা। এই সংসদের মসনদে কে বসবে সেটি নির্ধারণ করবে এই ভূখণ্ডের মধ্যে যারা রয়েছে সেই মানুষ।’
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দেড় দশকের আওয়ামী জাহিলিয়াতের শাসনের পর আজ মুক্ত বাংলাদেশে বাস করছি। যে সংসদ ভবনকে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেই সংসদ ভবনে যাওয়ার জন্য আজ আমরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এসে দাঁড়িয়েছি। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আমাদের দেশে ছিল বিচারহীনতার সংস্কৃতি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আমরা জাতি গড়ে তুলতে পারি নাই। বিভাজনের রাজনীতি আমাদের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে জিইয়ে রাখা হয়েছে। আমরা স্টেট ডেভেলপ করতে পারি নাই, ন্যাশন ডেভেলপ করতে পারি নাই। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে গিয়েছে। আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারি নাই, আমরা ফাংশনাল ব্যুরোক্রেসি নিশ্চিত করতে পারি নাই। আমরা স্বাধীন পুলিশ নিশ্চিত করতে পারি নাই। স্বাধীন বিচার বিভাগ নিশ্চিত করতে পারি নাই। আমরা স্বাধীনতার এত বছর পরও তরুণ প্রজন্ম একটা ইনস্টিটিউশন প্রোপারলি ফাংশন করতে দেখি নাই।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, ‘আমরা আপনাদের কাছে কমিটমেন্ট দিতে চাই, এই তরুণ প্রজন্ম, আমরা ইনস্টিটিউশনগুলোকে প্রোপারলি ফাংশনাল করব। আমরা কমিটমেন্ট দিতে চাই, বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একতার রাজনীতি আমরা বাংলাদেশে চালু করব। আমরা স্টেট ডেভেলপ করব। বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু কোনো প্রেসক্রিপশনের সম্পর্ক থাকবে না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আমাদের যখন একটা ছেলে রাস্তায় রক্ত দেওয়া শিখে গিয়েছে, আমাদের কেউ রক্ত দেওয়া থেকে দমায়ে রাখতে পারবে না।’
নতুন এ রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।
এছাড়াও রয়েছেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, জনতার অধিকার পার্টির (পিআরপি) চেয়ারম্যান মো. তরিকুল ইসলাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক শাহ আহম্মেদ বাদল প্রমুখ।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “সেই বন্ধুরা আমাদের কোস্টগার্ডকে আটকে দেয়, আমাদের জাহাজ আটকে রাখে... আপনাদের মনে আছে, বাংলাদেশের জাহাজ আর বন্ধুর বাড়ির জাহাজ একসাথে যদি চিটাগঙে বার্থিং করে, চিটাগঙে বন্ধুর বাড়ির জাহাজ আগে খালাস হবে মাল, পরে আপনার বাড়ির জাহাজ— সঠিক বলছি?”
১ দিন আগে
বাংলাদেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি মনোপলি গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য গুরু
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।
২ দিন আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন; বিরোধীদল, তারা মুক্তকণ্ঠে সমালোচনা করবেন। আবার সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ
২ দিন আগে