
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এবং প্রায় দুই দশক পর আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটে পা রেখে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুই ওলির মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় যোগ দেন তিনি।
দলীয় প্রধানকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো সিলেট নগরী, যেখানে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সিলেটের সমাবেশ শুরু হয়েছে।
বিএনপির এই নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
নির্বাচনী প্রচারের বাইরেও ২২ বছর পর তারেক রহমানের এই আগমন ঘিরে সিলেটে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগও। সব মিলিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যানের আগমনে সিলেটের আজকের সকালটা হয়ে উঠেছে অন্যরকম। এরই মধ্যে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঐতিহ্য ধরে রেখে তারেক রহমান নিজেও সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে রেখেছেন সভাস্থল। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষেরও। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মিছিল। ব্যানার, লাল-সবুজ পতাকা আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে সড়কের দুই পাশ। মাইকে ভেসে আসছে দলীয় গান ও স্লোগান। অনেকেই মাথায় দলীয় ক্যাপ, ব্যাজ পরে সভাস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সমাবেশস্থলে বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বাইরেও আসছেন জোটের সমর্থকেরা। তারাও স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের স্থানীয় নেতা রায়হান উদ্দিন বললেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা তারেক রহমান...উনি আমাদের সিলেটের জামাই। তাঁর আগমনে আমরা ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত।’

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে এবং প্রায় দুই দশক পর আধ্যাত্মিক নগরী সিলেটে পা রেখে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুই ওলির মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় যোগ দেন তিনি।
দলীয় প্রধানকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো সিলেট নগরী, যেখানে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সিলেটের সমাবেশ শুরু হয়েছে।
বিএনপির এই নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
নির্বাচনী প্রচারের বাইরেও ২২ বছর পর তারেক রহমানের এই আগমন ঘিরে সিলেটে বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগও। সব মিলিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যানের আগমনে সিলেটের আজকের সকালটা হয়ে উঠেছে অন্যরকম। এরই মধ্যে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঐতিহ্য ধরে রেখে তারেক রহমান নিজেও সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
দলীয় নেতা-কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে রেখেছেন সভাস্থল। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ভিড় বাড়ছে সাধারণ মানুষেরও। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মিছিল। ব্যানার, লাল-সবুজ পতাকা আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে সড়কের দুই পাশ। মাইকে ভেসে আসছে দলীয় গান ও স্লোগান। অনেকেই মাথায় দলীয় ক্যাপ, ব্যাজ পরে সভাস্থলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
সমাবেশস্থলে বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বাইরেও আসছেন জোটের সমর্থকেরা। তারাও স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের স্থানীয় নেতা রায়হান উদ্দিন বললেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা তারেক রহমান...উনি আমাদের সিলেটের জামাই। তাঁর আগমনে আমরা ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত।’

এই চারজনের মধ্যে রয়েছেন বহুল পরিচিত মুখ দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান। রয়েছেন চেয়ারম্যানের আরেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম (ডোনার) এবং মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
২১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এই চারজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন টাঙ্গাইল থেকে আসা যুবলীগ কর্মী অর্ণব দাস (৩৮), সাংবাদিক পরিচয়ে যুবলীগ কর্মী নিপু মিয়া (৩০)। বাকি দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আটকের পর চারজনকেই ধানমন্ডি থানায় পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ দিন আগে
দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’র তকমা পাওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। ওই দিন ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮০
২ দিন আগে