
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় বেশকিছু পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনের লক্ষ্য, অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এ বিধিমালায়।
সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা বিধিমালায় এসব পরিবর্তন অনুমোদন দিয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
নতুন বিধিমালায় ছাত্র সংসদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে—
বিধিমালা অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হতে হবে, যিনি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক, মাস্টার্স বা এমফিল প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত এবং কোনো আবাসিক হলে অবস্থানরত বা সংযুক্ত।
সান্ধ্যকালীন কোর্স, পেশাদার বা এক্সিকিউটিভ মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট ও ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ডাকসু নির্বাচনে ভোটার বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই বিধিমালায়। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ও সংযুক্ত কলেজ বা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, ডাকসু নির্বাচনের জন্য সভাপতি একজন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সর্বোচ্চ ১০ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন। এর আগে এই সংখ্যা ছিল ছয়জন। এ ছাড়া প্রতিটি আবাসিক হলে অথবা ক্যাম্পাসের ভেতরে উপযুক্ত কোনো স্থানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হলে সংযুক্ত শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে হবে নির্ধারিত বুথে।
ডাকসু নির্বাচনের ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে এ নিয়ে প্রতিকারের বিধিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে তা উপাচার্যের কাছে দাখিল করা যাবে এবং এ বিষয়ে উপাচার্যের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
হালনাগাদ করা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্র সংসদে নতুন করে চারটি সম্পাদকীয় পদ সংযোজন করা হয়েছে। এগুলো হলো— গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এবং মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক।
এসব সম্পাদকীয় পদের কর্মপরিসর সম্পর্কে বলা হয়েছে, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মশালা, সেমিনার, সিম্পেজিয়াম ও সম্মেলন আয়োজন করবেন এবং গবেষণা জার্নাল প্রকাশ করবেন।
ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কর্মশালা, সেমিনার ও চাকরি মেলা আয়োজন করবেন। স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। আর মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক মানবাধিকার ও আইনসংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে উদ্যোগ নেবেন।
সিন্ডিকেট সভায় বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, একটি অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্য প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে সক্ষম হবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় বেশকিছু পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনের লক্ষ্য, অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এ বিধিমালায়।
সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা বিধিমালায় এসব পরিবর্তন অনুমোদন দিয়েছে। সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।
নতুন বিধিমালায় ছাত্র সংসদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে—
বিধিমালা অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার ও প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন শিক্ষার্থী হতে হবে, যিনি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে স্নাতক, মাস্টার্স বা এমফিল প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত এবং কোনো আবাসিক হলে অবস্থানরত বা সংযুক্ত।
সান্ধ্যকালীন কোর্স, পেশাদার বা এক্সিকিউটিভ মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট ও ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের ডাকসু নির্বাচনে ভোটার বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই বিধিমালায়। একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ও সংযুক্ত কলেজ বা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, ডাকসু নির্বাচনের জন্য সভাপতি একজন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সর্বোচ্চ ১০ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করবেন। এর আগে এই সংখ্যা ছিল ছয়জন। এ ছাড়া প্রতিটি আবাসিক হলে অথবা ক্যাম্পাসের ভেতরে উপযুক্ত কোনো স্থানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট হলে সংযুক্ত শিক্ষার্থীদের ভোট দিতে হবে নির্ধারিত বুথে।
ডাকসু নির্বাচনের ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে এ নিয়ে প্রতিকারের বিধিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে তা উপাচার্যের কাছে দাখিল করা যাবে এবং এ বিষয়ে উপাচার্যের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
হালনাগাদ করা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্র সংসদে নতুন করে চারটি সম্পাদকীয় পদ সংযোজন করা হয়েছে। এগুলো হলো— গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এবং মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক।
এসব সম্পাদকীয় পদের কর্মপরিসর সম্পর্কে বলা হয়েছে, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মশালা, সেমিনার, সিম্পেজিয়াম ও সম্মেলন আয়োজন করবেন এবং গবেষণা জার্নাল প্রকাশ করবেন।
ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কর্মশালা, সেমিনার ও চাকরি মেলা আয়োজন করবেন। স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। আর মানবাধিকার ও আইনবিষয়ক সম্পাদক মানবাধিকার ও আইনসংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে উদ্যোগ নেবেন।
সিন্ডিকেট সভায় বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, একটি অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্য প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে সক্ষম হবেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, রথযাত্রার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বিএনপি মহাসচিব। তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা সাদিক কায়েম সম্প্রতি ছাত্রশিবির ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদে থাকার ‘নৈতিকতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
২ দিন আগে
নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
২ দিন আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
৩ দিন আগে