
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা না হওয়ায় ১৪ সেপ্টেম্বর স্মরণসভা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন শহীদকে তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
এর আগে, মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণসভা আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর হবে জানিয়েছিলেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এই স্মরণসভার খরচ ধরা হয়েছে ৫ কোটি টাকা।
সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। স্মরণ সভায় দেশি-বিদেশি অতিথিরা থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, স্মরণ সভায় কারা থাকবেন তা ঠিক করবেন তথ্য উপদেষ্টা।
তার আগে, গত ৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জানান, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সব শহীদদের স্মরণে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হবে।
তিনি বলেন, সরকার স্মরণসভায় শহীদদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সম্মাননা দেবে। ‘বাংলা ব্লকেড’, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ ঘটনাগুলোকে অবশ্যই তুলে ধরতে হবে কারণ এই শব্দগুলো গণআন্দোলনে টনিক হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি আরও বলেন, স্মরণসভাটি এভাবেই আয়োজন করা হবে যাতে এটি জুলাইয়ের গণআন্দোলনের আবহ তৈরি করতে পারে।
স্মরণসভার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবেন মো. নাহিদ ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুল হক অনুষ্ঠানের বিভিন্ন নকশা সম্পর্কে তার মতামত দেন। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা না হওয়ায় ১৪ সেপ্টেম্বর স্মরণসভা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন শহীদকে তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
এর আগে, মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণসভা আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর হবে জানিয়েছিলেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এই স্মরণসভার খরচ ধরা হয়েছে ৫ কোটি টাকা।
সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। স্মরণ সভায় দেশি-বিদেশি অতিথিরা থাকবেন জানিয়ে তিনি বলেন, স্মরণ সভায় কারা থাকবেন তা ঠিক করবেন তথ্য উপদেষ্টা।
তার আগে, গত ৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম জানান, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সব শহীদদের স্মরণে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হবে।
তিনি বলেন, সরকার স্মরণসভায় শহীদদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সম্মাননা দেবে। ‘বাংলা ব্লকেড’, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ ঘটনাগুলোকে অবশ্যই তুলে ধরতে হবে কারণ এই শব্দগুলো গণআন্দোলনে টনিক হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি আরও বলেন, স্মরণসভাটি এভাবেই আয়োজন করা হবে যাতে এটি জুলাইয়ের গণআন্দোলনের আবহ তৈরি করতে পারে।
স্মরণসভার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করবেন মো. নাহিদ ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুল হক অনুষ্ঠানের বিভিন্ন নকশা সম্পর্কে তার মতামত দেন। বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কথা সরকার অজুহাত হিসেবে দেখালেও জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপিয়ে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার পথ গ্রহণযোগ্য নয়। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শ্রমজীবী মানুষের আয় এবং দেশের উৎপাদনব্যবস্থার স্বার্থকে সর
১ দিন আগে
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আবির্ভূত হচ্ছে। তেলের দাম বাড়ছে, জাহাজভাড়াও বাড়ছে। এই মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। এ সময় তিনি বলেন, ‘উপায়হীন’ না হলে সরকার এমন একটি ‘অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত’ নিতে চাইত না কিংবা নিত না।
১ দিন আগেজ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দফায় দফায় জ্বালানির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়বে এবং জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। ৪০ বছর পর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক এই মঞ্চে সভাপতির আসনে রয়েছে বাংলাদেশ।
২ দিন আগে