
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজা বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে তিনটি জেলা আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই জেলার বন্যায় ১০ জন মারা গেছেন। শেরপুর জেলায় ৮ জন, ময়মনসিংহ জেলায় ২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া.৬০ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি ও প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার ১৩টি উপজেলা বন্যা কবলিত। তিন জেলায় মোট ৬৩ হাজার ১৭১টি পরিবার পানিবন্দি। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯১ জন।
বন্যার্তদের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব জানান, আক্রান্ত তিনটি জেলায় ৭২ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে।

দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজা বলেন, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে তিনটি জেলা আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই জেলার বন্যায় ১০ জন মারা গেছেন। শেরপুর জেলায় ৮ জন, ময়মনসিংহ জেলায় ২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া.৬০ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি ও প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার ১৩টি উপজেলা বন্যা কবলিত। তিন জেলায় মোট ৬৩ হাজার ১৭১টি পরিবার পানিবন্দি। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯১ জন।
বন্যার্তদের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব জানান, আক্রান্ত তিনটি জেলায় ৭২ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নহিদ বলেন, বাংলাদেশে রায় হয়ে গেছে। এখন এই সরকারের উচিত যথাযথ কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ায় গণহত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা।
৩ দিন আগে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পথ চলব। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’
৩ দিন আগে
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
৩ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৪ দিন আগে